Showing posts with label রিপোর্টার. Show all posts
Showing posts with label রিপোর্টার. Show all posts

Wednesday, December 14, 2022

দেশে বিদেশে ফুটবল

 (১) পাওলো আর অ্যামান্ডার গল্প




মাস্টার ডিগ্রী চলাকালীন একটি ব্রাজিলের ছেলে, নাম পাওলো, আমাদের সাথে পড়ত। সুইজারল্যান্ড পাহাড়ি জায়গা, বড় মাঠের অভাব। তাই ছোট জাল ঘেরা টার্ফে খেলা হত। টার্ফের বাইরে বরফ। এবার ঐটুকু জায়গাতেই পাওলোর পায়ে ব্যানানা শটের ফুলঝুরি। পরিষ্কার দেখছি বলটা বাইরে যাচ্ছিল, কীরকম বেঁকে ঢুকে গ্যালো। ফ্লুক নয়, বারংবার। বা ধরুন, এই আপনার সামনে পাওলো দাঁড়িয়ে রয়েছে। পায়ে বল। চোখের পলক ফেলার আগেই পায়ে বল নেই। পাওলো খালি দাঁড়িয়ে। বল কই? আপনি খুঁজে বেড়াচ্ছেন। কী হয়েছে, জাস্ট আপনার মাথা টপকে ফুটবল'খানা আপনার পেছনে চলে গেছে। আর পরের মুহূর্তে পাওলো আপনার পেছনে গিয়ে বলের দখল নিয়ে ভাগলবা। মানে ম্যাজিক দেখে হাঁ মুখ বন্ধ হওয়ার আগেই পাওলো হাওয়া। ১৮০ ডিগ্রি ঘোরা ছাড়া আপনি আর বিশেষ কিছু করতে পারেন নি।
সহপাঠীদের মধ্যে ফুটবল ম্যাচ চলার সময় পাওলোর টিম বরাবর ঐ ১০-২ বা ৮-১ এইরকম স্কোরে জিতত।তাই বলে তো আর তাকে বলা যায় না ভাই আর খেলো না। হাজার হোক, সে তো আমাদের বয়েসী একটা ছেলে। শেষ অব্দি একজন সুইস সেকেন্ড ডিভিশনের কোচ ছেলেটিকে ডেকে নিয়ে গেলেন নিজের টিমে খেলাবেন বলে। পাওলো দেখলো ভালোই হবে--- প্রফেশনাল লেভেল খেলা যাবে, পয়সাও পাওয়া যাবে। অড জব করতে হবে না।
পাওলো তো চলে গ্যালো। তার জায়গায় আমাদের এক সহপাঠিনী--- সেও ব্রাজিলের, খুব জেদ করল আমাকেও খেলায় নাও। বাকী মেয়েরা কেউ খেলে না ফুটবল। তাই অ্যামান্ডার খেলা হয়ে ওঠে না। কিন্তু যাই হোক। ফুটবল বডি কন্ট্যাক্ট গেম। ছেলে মেয়ে একসাথে খেলবে? ধাক্কা লেগে পড়ে যাবে না? কিন্তু অ্যামান্ডার অখন্ড জেদ। আচ্ছা তাহলে তাই হোক। ফাইভ এ সাইড খেলা। ৯ টি ছেলে, ১ টি মেয়ে।
আমরা ৯ জন আলাদা করে আলোচনা করে নিলাম যে অ্যামান্ডাকে কড়া ট্যাকল, থ্রো বা পেনাল্টির পাওয়ার জন্য দেহ লক্ষ্য করে জোরে শট নেওয়া ইত্যাদি করা হবে না। সাদা বাংলায় যাকে বলে দুধে-ভাতে। আউট করা যাবে না।
এর পরের গল্প খুব সংক্ষিপ্ত। মাঝমাঠ থেকে তোলা বল মেয়েটি বুকে রিসিভ করল। বল বুকে গোত্তা খেয়ে মাটিতে পরার আগেই পেলব শট। হাঁ করে দাঁড়িয়ে থাকা গোলকীপার পেরিয়ে অন্য দিকের পোস্টের পাশ দিয়ে জালে গড়িয়ে গেল।

মেয়েটির নাম ছিলো অ্যামান্ডা। সে আমায় পরে বলেছিল, ফুটবল সে খুব একটা ভালো খেলতে পারে না। ম্যারাথন দৌড় বেশী প্রিয়। পাড়ায় সবাই ফুটবল খেলে জন্ম থেকে। তাই দেখে অ্যামান্ডা'ও অল্পস্বল্প শিখেছে। 

--

(২) ফুটবুলের যুদ্ধ না যুদ্ধের ফুটবল?



আজকে ইরানের খেলা দেখতে দেখতে মনে পড়ে গ্যালো নাইমেঘেন শহরে আমার চিলেকোঠার ভাড়া ঘরের কথা। বাড়ির মালিক ইতালিয়ান। আর সেখানে তিন ঘর ভাড়াটে — বুল্গেরিয়ান, ইরাকী আর ভারতীয়। ইরাকী ছেলেটির নাম ভুলে গেছি। ২০০৮ সালের কথা। তাই পুরনো সবুজ ডায়েরীটা ধুলো ঝেড়ে বার করলাম। বাকীটা সেখান থেকেই টাইপ করে লেখা। ২৩ নভেম্বর ২০০৮।
ZENO KALIED - এই হলো আমাদের বাড়ির নতুন ভাড়াটের নাম। ও আপাতত ছোট ঘরটায় উঠেছে। চিলেকোঠায় আমার ঘরটা বিশাল। সামনে মাসে আমি সুইৎজারল্যান্ডে অন্য চাকরী নিয়ে চলে যাব, তখন আমার ঘরে চলে আসবে। বাড়িওয়ালার সাথে সেরকম কথা হয়ে আছে। সাতাশ বছর বয়েস, আমার পঁচিশ। চেহারা ভারীর দিকে। মুখে একটা স্পষ্ট মধ্য-প্রাচ্যের ভাব রয়েছে। গায়ের রঙ তামাটে, অ্যাভারেজ হাইট। আলাপ হওয়ার কিছুক্ষণ বাদেই বিদেশে অচেনা লোককে করা বাঁধাধরা এবং মরচে-ধরা প্রশ্নটা এসে পরল। “Where are you from?”
ছেলেটা বেশ গর্বিত ভাবে বলল, “আমি কুর্দিশ। নর্থ ইরাকে আমি জন্মেছি। কিন্তু আমি ইরাকী নই, নিজেকে কুর্দিশ বলতে বেশী পছন্দ করি।”
তৃতী বিশ্বের নাগরিক আমি--- প্রথম বিশ্বে এসে তক ইরাক ইরান সম্বন্ধে যা জেনেছি CNN BBC দেখেই শিখেছি। ইরাক মানেই আমার চোখে ক্যারিশ্ম্যাটিক এবং নৃশংস সাদ্দাম হোসেন। পাঠক, মনে রাখবেন ঘটনা ২০০৮ এর। সাদ্দাম কিছুদিন আগেই মারা গেছেন— আমেরিকান সৈন্যরা অতীতের প্রবল পরাক্রমশালী সাদ্দামকে গর্ত থেকে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে বার করে মেরেছে। তো যাই হোক, আমি হাল্কা করে সাদ্দামের নামটা তুলতেই, ZENO বলে উঠল, “We are against Saddam. We fought against him.” আমি হিসেব করে দেখলাম যে ’৯১ সালে যখন ZENO ইরাক-ইরাণের যুদ্ধের সময় ইরাক ছেড়ে এসেছে তখন ওর বয়েস মোটামুটি এই দশ-এগারো। অর্থাৎ তখনই ঐ বয়েসেই ওর মধ্যে গৃহযুদ্ধের বীজ ছড়িয়ে পড়েছে। ZENO আমায় বলল, দেশ ছাড়ার আগে ও অটোমেটিক রাইফেল নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় গেরিলা যুদ্ধ দেখেছে। ওরা কাছে ১৯৫৮ সালের একটা ছবি রয়েছে যেটা ও দেশ ছেড়ে আসার সময় নিয়ে আসতে পেরেছিল। ছবিতে ওর ঠাকুর্দা— গেরিলা যোদ্ধাদের লীডার অন্য গেরিলা যোদ্ধাদের সামনে দাঁড়িয়ে গার্ড অফ অনার নিচ্ছেন।
ZENO শুধু দেশ নয়, নিজের জীবন নিয়েও খুব গর্বিত। ও বলে চলে, জীবনের যে রুক্ষ কঠিন রূপ ও দেখেছে সেটা অকে মানসিকভাবে পাথর হয়ে যেতে সাহায্য করেছে। সেইসাথে ZENO এটাও বলে, “আমি চাই না অন্য কেউ সেই রূপ দেখুক।” নিজে থেকে বলে যায়। দ্যাখো জয় (লেখকের ডাকনাম)— আমার কোন ডিপ্লোমা নেই। আমি তোমার মত কোনদিন ইউনিভার্সিটিতে যাই নি, যাবোও না। তোমার মতো স্মার্ট নই, গুছিয়ে কথা বলতে পারি না ইংরেজীতে। কিন্তু আমি ইতিহাসে, ভূগোলে খুব ভালো। I may be poor in mathematics. But I can pick up new languages very easily. এই তো এখন ডাচ, ইতালিয়ান, কিছুটা ফ্রেঞ্চ শিখে গেছি।”
আমি কুর্দিশদের সম্পর্কে আরো আগ্রহ প্রকাশ করলে জাত্যভিমানে ফুটতে থাকা ZENO আমায় বলে— কুর্দিশরা সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে আছে। ইরাক, তুর্কী, মরক্কো। গর্ব ফুটে ওঠে ওর চোখে মুখে যখন ও বলে যে ক্রুসেডের যুদ্ধে বীর সুলতান সালাউদ্দীন (ZENO এর উচ্চারণে সালে-ই-দিন) ইংল্যান্ডের নাইট রিচার্ডের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন— তিনি কুর্দিশ। ক্রুসেড থেকে আলোচনা অনিবার্যভাবে গড়িয়ে যায় অধুনা আমেরিকায়। ইরাকে আমেরিকা যা করছে সে প্রসঙ্গে ZENO প্রথমে বলল, আমেরিকা অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো, কিন্তু কার্যক্ষেত্রে সেগুলো যথারীতি কিছুই পালন করে নি। আমেরিকা নিয়ে কথা বলতে বলতে ZENO বলে তোমায় একটা প্রাচীন কুর্দিশ গল্প বলি শোনো। একটা পাখির ডানা ভেঙে গেছে। সে আর উড়তে না পেরে মাটিতে পরে গ্যালো। এমন সময় একটা গরু রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে আবার সেই পাখিটার ওপরে গোবর ফেলে দিয়ে চলে গ্যালো। তাতে তো পাখি আরোই নড়তে চড়তে পারে না। সে খানিক গরুকে গালাগালি করল। যাই হোক, কিছুক্ষণ পরে একটা বাঘ সেই পাখিতা যেটা গোবরে আটকে ছিল তাকে গোবর থেকে তুলল। জিভ দিয়ে চেটে চেটে গোবর পরিষ্কার করল। তারপর পাখিটা যখন একটু সুস্থ হয়েছে তখন বাঘটা তাকে খেয়ে নিলো। আমি হাঁ করে তাকিয়ে আছি— গল্পের তাৎপর্য অনুধান করার মরিয়া প্রচেষ্টা করছি। ZENO আমার অবস্থা আন্দাজ করে বল, শোনো এ গল্পের মর‍্যাল হচ্ছে— যারা তোমায় সাহায্য করছে তারা সবাই তোমার বন্ধু নয়।
মানুষ তার রক্তাক্ত অতীতে ফেরত যেতে যায় না। বাংলাদেশ থেকে একবস্ত্রে যাঁরা চলে এসেছিলেন এ পারে তাঁদের অনেকেই সেই কষ্টকর শুরুর দিনগুলোর কথা মনে করতে চাইন না। কিন্তু গল্প শুনতে আগ্রহী যারা, তাদের মধ্যে একটা মরীয়া ভাব থাকে। রিপোর্টারদের মধ্যে এই গুণটা তো খুব’ই জরুরী। তো আমি খিনিক ইতস্তত করে জিজ্ঞেস করেফেললাম, গালফ যুদ্ধের কোন স্মৃত মনে পড়ে তোমার, ZENO? দেশ থেকে পালিয়ে আসার আগের কোন ঘটন নাড়া দ্যায় এখনো? ZENO বলতে চাইছিলো না। নিজের মনেই টুকটাক কথা বলছিল— দশ বছর বয়েসে এত মৃতদেহ দেখেছে সে। চোখের সামনে চেনা মানুষ সামান্য কারণে অন্য আরেকজন চেনা মানুষের প্রাণ নিয়ে নিলো। এ প্রতিদিনের ঘটনা। এসব কষ্টের স্মৃতি এখনো ওকে তাড়া করে বেড়ায়। “আমি দেখছি এক মস্ত বড়লোক তার দামী ইউরোপীয়ান গাড়ি সহ বাক্সভর্তি সোনাদানা গেরিলা যোদ্ধাদের হাতে তুলে দিচ্ছে— বিনিময় স্রেফ দুটো ঘোড়া পাওয়ার জন্যে। তুমি ভাবো— মধ্য প্রাচ্যে অর্থাৎ তেলে ভাসমান একটি ভূখন্ডে বসেও সেই লোকটি তার নিজের গাড়ির জন্য পরিশোধিত তেল যোগাড় করে উঠতে পারে নি। তাই চলাফেরার জন্যে ঘোড়াই একমাত্র ভরসা। গেরিলাদের আমেরিকা টিনে করে তেল দেয়। তাদের ঐ গাড়িটা কাজে লাগলেও লাগতে পারে।
আচ্ছা, তোমরা ইরাকে ফুটবল খেলতে?
ZENO বলে চলে, “ফুটবল এমন একটা খেলা সবাই খেলে। আমরাও ছোটবেলায় খেলতাম। তবে গৃহযুদ্ধ চলছে। মানুষ পরের দিন কী খাবে ঠিক নেই। তাই প্রকৃত ফুটবল পাওয়া যেত না। কিছু একটা দিয়ে ফুটবল বানিয়ে নিতাম। ছেঁড়া ন্যাকড়া এইসব আর কী!” ZENO হাসে। “গৃহযুদ্ধের সময় আমরা প্রায়ই মিলিটারি অথবা গেরিলাদের পরিত্যক্ত আস্তানায় ঢুকে পরতাম। অনেকসময় খেলার জিনিস, সিগারেটের বাক্স, মিলিটারির ফেলে যাওয়া বাসন-কোসন বা অন্য কোন জিনিসের লোভে। ওরা যখন ফাঁকা করে দিয়ে চলে যেত, সব নিয়ে যেতে পারত না। তো একবার এরকম একটা পরিত্যক্ত মিলিটারি বেসে ঢুকে পরেছি বুঝলে। কত বয়েস হবে? ঐ নয় কী দশ। আমার সাথে আমার বন্ধুরাও আছে। সবাই ফেলে যাওয়া কাগজপত্তর কাঠের আসবাবপত্র ঘাঁটছি। যদি কিছু পাওয়া যায়। আমার সামনে পরে আছে একটা ভাঙা কাঠের কাবার্ড। ভিতরে দেখলাম বেশ চ্যাপ্টা মোটা গোল গোল কীসব রাখা আছে। এই আট-দশ ইঞ্চি মত ডায়ামিটার। হাতে নিয়ে দেখলাম, ফুটবল বানানো যাবে কীনা। কিন্তু চ্যাপ্টা জিনিসে ন্যাকড়া জড়িয়ে তাকে গোল বল বানানো বহুত হ্যাপা। আর টেঁকে না। ন্যাকড়া সহজে খুলে যায়। খুব একটা কাজে দেবে না। এই সব সাত-পাঁচ ভেবে ঐ কাবার্ডেই রেখে দিয়ে বন্ধুদের সাথে চলে এলাম। এর দুবছর বাদে আমি ইউরোপ চলে আসি। নেদারল্যান্ডে যেখানে আশ্রয় নিয়েছিলাম সেখানে একদিন টিভি চালিয়েছে। টিভিতে গালফ যুদ্ধের ছবি দেখাচ্ছে। আমি খুব আগ্রহ নিয়ে দেখছি। দেশের ছবি বলে কথা। হঠাৎ দেখি টিভির পর্দায় ভেসে উঠছে ঐ গোলগোল জিনিসগুলোর ছবি। ওগুলো গেরিলাদের বানানো ল্যান্ড মাইন।”
ZENO র শেষ কথাগুলো আমার সবুজ ডায়েরীতে লেখা রয়ে গ্যালো। “টিভিতে মাইন দেখে আমার ভেতরটা কেঁপে উঠেছিল জানো। ঠিক ঐ জিনিসটাকেই— মানে সাক্ষাত মৃত্যুকে আমি ফুটবল ভেবে নাড়াচাড়া করে এসেছি। I really hope no other kid opened that cupboard ever. But I won’t know for sure. In all probability, someone did.”


Friday, March 25, 2016

মোদের গরব মোদের আশা

সূত্রঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের সদস্য মুশফিকুর রহিম নিজের ফেসবুক পেজে একটা পোস্ট করেন। টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে হারার পরে। 
https://www.facebook.com/MushfiqurOfficial/posts/10153991239907012:0

ঘটনাঃ

প্রতিক্রিয়াঃ (অনিবার্য কারণ বশত, চাপাতির হাত থেকে গলা বাঁচাতে নির্বাচিত মন্তব্যকারীদের নামোল্লেখ করা হল না। বানান এবং ব্যাকরণের দায়িত্ব অবশ্যই তাঁদের।)

১) ভাই ছক্কা মারার চেষ্টা না করে ঠেকাই ঠেকাই ২টা রান নেয়া জাইত।বাদ দেন।

২) আমরা পাকিস্তান কে শত্রু মনে করি। হ্যা তারা শত্রু। কিন্তু আমাদের এই দুর্দিনে পাকিস্তানী ক্রিকেটারগণ পাশে দাড়িয়েছে।শহীদ আফ্রিদি, ওয়াসিম আকরাম, শুয়েব আকতার দেরমতো তারকারা সমর্থন দিয়ে আসছে আমাদের।.তারা চাইছে তাসকিন ও সানিরা আবার ফিরে আসুক।যারা দুর্দিনে পাশে দাড়ায় তারাই তো প্রকৃত বন্ধু।

৩) আপনার কমেন্টটা পরে কান্না এসে গেল ভাই । এত ক্ষোভ কি কিভাবে পুষে রাখেন ভাই।

৪) সোজা হইয়া দড়াইয়া খেলতে পারে না,ঘুইরা খারাইলে তো আরো পারবো না। ঘুরে দড়ানোর দরকান নাই।

৫) ভারত অনেক হারার চেষ্টা করছে।।৩ টা ক্যাচ মিস করছে।।কিন্তু আমারাই ওদের হারতে দেই নি।।কি দরকার দাদাদের কষ্ট দিয়ে।।।

৬) এখন ভারত পাকিস্তান অনলাইনে মিলে আমাদের বাঁশ দিতেছে।

৭) কাল আমরা দেখেছি ইতিহাসের সবচেয়ে স্বরনীয় ম্যাচ। আমরা দেখেচি ৯৯ - র সেই অষ্ট্রেলিয়া বনাম সাউথ আফ্রিকা ম্যাচ।
আমরা নিজেদেরকে সাউথ আফ্রিকা ভাবতে পারি।


৮) ২ টা চার মারার পর ছাগলের মত লাফালাফি করলো .. মনে করছে তখনই খেলা জিতে গেছে .. আরো যে ২ রান বাকী ছিল , সেটা করার আগেই আউট .. 

৯) ভাই তোমার কোনো দোষ নাই।।it's just happen..... amra মাতরো ১ রান এর জন্য হারছি।।মুশফিক ভাই তুমি যদি ২টা চার না মারতা তাহলে ৯ রান এ হারতাম।।।it's ok bro.nxt time hoba inshallah

১০) #আমি আজকে শপথ নিলাম ,বাংলাদেশ যেদিন T20 তে ইন্ডিয়াকে হারাতে পারবে আমি সেদিন ক্রিকেট খেলা দেখবো,তার আগে না ৷৷

১১) যারা বলছেন এটা একটা লার্নিং প্রসেস, বুলশীট। we have played enough professional cricket! ২০১২ এশিয়া কাপ ফাইনালে তাইলে কি শিক্ষা নিসিলাম?যারা বলছেন ওরা আমাদের থেকে ভাল খেলা বুঝে, ভাই, ২ বছরের পিচ্চিও বুঝে ৩ বলে ২ রান দরকার হলে ছয় না মেরে সিংগেল নিতে হয়  EnD of The DaY : পাশে ছিলাম পাশে আছি & পাশেই থাকবো ইনশাল্লাহ 

১২) নিজের gf (full time)সাথে যদি breakup হতো তারপরেও এত কষ্ট পেতাম না এই খেলার জন্য যে কষ্ট পাইছি ....my heartbroken

১৩) এক মিনিট নীরবতা তাদের জন্য। যারা বাংলাদেশ হারার পরে স্ট্যাটাস মারে, "আর ক্রিকেট খেলা দেখমু না"। ভাই রে আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড ম্যাচে তুমিই সবার আগে টিভিসেটের সামনে বসবা।

১৪) ইন্ডিয়ারে দাত ভাঙ্গা জবাব দিতে একটা জয়ই চেয়েছিলাম তদের কাছে!!
আর উলটো তরা দেশের মানুষের আবেগ নিয়ে খেলা করলি??
জীবনেও তরা ছক্কা মারিস নাই??


১৫) আমাদের চোকের জল ধেকে রাতে আকাশটা কান্না করেছিল।সব কিছু দরে রাখতে পারি কিন্তুু চোকের জল দরে রাকতে পারি না।যদি তুরা 10-20 রানে হারতি আমারা কষ্ট পেতম না।কিন্তুু বিজয় এর পতাকা তুলে হেরে গেলি।এর ছায়তে কষ্ট আর কিছু নাই। 

১৬) একটা সময় ছিলো, বাংলাদেশ মানে শুধুই হার এবং হতাশা। আর এখন সময়টা হচ্ছে বাংলাদেশ মানেই আতংক।

১৭) আমিও একজন খুব ছোট খেলোওয়ার আমি দুবাইতে পাকিস্তানি এবং ইনডিয়ার সাথে অনেক ম্যাচ খেলেছি।তারা ছোট খেলারী। আমরা ৮/১০ ঘনটা কাজ করার পরে সুজা মাঠে চলে যাই। আমরা টেপ টেনিজ দিয়ে খেলি। তবুও আমি বলিব যে তিনটি বল শেষে আপনারা যে খেলছেন। যদি সেই তিনটি বল আমরা খেলতাম তা হলে। আমি প্রথমে একটি রান নিয়ে ম্যাচ সমান সমান করতাম। তারপরে যে কোন খেলোয়ার ২ বলে ১ টি রান নিয়ে নিত। জয় আমাদেরী হত।আর আমি হলে ২ বলে একটি ৪ মেরে খেলা শেষ করে দিতাম।

১৮) আজকের খেলার শেষ বলের চাপ সইতে না পেরে উত্তর ডারবানে মোহাম্মদ ইনাম আলী (৩৮) নামের এক বাঙালি হার্ট অ্যাটার্ক করে মৃত্যু বরণ করেছে। ইন্নালিল্লাহী ওয়া ইন্নাইলাহী রাজেউন। আল্লাহ তাকে বেহেশত নসীব করুক। আর কিছু বলার নাই। news from south africa

১৯) মনের রক্ত ক্ষরণ আর চোখের পানি কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না । চোখ বুঝলেই শেষ তিন বল দেখতেছি।

২০) আজ ধোনির চোখে কান্নার বদলে মুখে হাসি, কঁদছি আমরা ১৬ কোটি বাংলাদেশি।

২১) ফর্মে ফিরছেন এইটাই অনেক.....Good luck vai.....but vai world cup এ india রে হারাতেই হবে....নেপালের সাথেও হারেন we dont care..but indiar সাথে এবার কোন ভাবেই হারা যাবেনা.. যাই হোক না কেন

২২) সাব্বাস হার্দিক পান্ডিয়া! ° তিন তিনটা বেয়াকুফকে ক্রিকেট যে কুতকুত খেলা না তা বুঝিয়ে দিবার জন্য ধন্যবাদ! ° সহ্যের একটা সীমা থাকা উচিৎ! কোন বিশ্বাসে আমি ভবিষ্যতে ওদের সাপোর্ট করব,যারা কিনা ৩ বলে মাত্র ১টি রানও নিতে পারেনা! ° কথা দিয়েছিলাম খারাপ সময়ে পাশে থাকব।। এটাকে খারাপ সময় বলেনা। এটাকে বলে বিশ্বাসঘাতকতা! ° খুব কষ্ট পাচ্ছি। বলে বুঝাতে পারব না।

২৩)  আর কত মখা বানাইবেন আমাগো?আসলে আপনাদের দোষ কি, দোষটা আমাদের একটু বেশি প্রত্যাশা করছিলাম আপনাদের উপর।দায়িত্ব হীন ব্যাট করে তার প্রমান দিলেন।তিন বলে ২ রান লাগবে আর ক্রিজে আপনার দুইজন এক্সপেরিয়েন্স ব্যাটসম্যান। হারলেও বাংলাদেশ জিতলেও বাংলাদেশ কিন্তু তার দামটা আপনারা রাখলের না।

২৪) গতকালের খেলায় বাংলাদেশের হারাটা অসম্ভব ছিল কিন্তুু তোমরা সেই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছো,এজন্য সাবাস তোমাদের। আমার যতটুকু ধারনা বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের কথা তোমরা একটুও মাথায় রাখোনি ব্যাং এর মতো অবস্থা একটু ভালো খেলায় কিছুদিন যাবৎ সবাই তোমাদর পাম(হাওয়া) দিয়েছে আর সেই অতিরিক্ত পামে তোমরা ফেটে গেলে, আসলে এটাই তোমাদের আসল চেহারা।

২৫) পাকুদের সাথে শতবার হারলেও এতো কষ্ট লাগতোনা!!যাক যা হবার হয়ে গেছে!!তবে খুব ভালো লাগলো যখন দেখি শেষ ওভারে ধোনির চোখ ছলছল করছিলো!! আজ না হয় আমরা ১৬ কোটি মানুষ ৩২ কোটি মানুষের জন্য সেক্রিপাইচ করছি!!<<all the best>>সাথে ছিলাম সব সময়,,সামনে ও থাকবো.....

২৬) রিয়াদ ভাই আর আপনি আমাদের স্বপ্নটা ভেংগে খান খান করে দিয়েছেন। যখন ১২ বলে ১৭ রান দরকার তখন বিগ হিট নেন নাই,কিন্তু যখনই ৩ বলে ২ দরকার তখন আপনাদের ডানায় সুপারম্যান ভর করলো কেন??? 

২৭) আর কতো শিখতে হবে বস, এখনতো শেখানোর বয়স চলে এসেছে... প্রতিদিন ঢোল/ড্রাম নিয়ে বসতে আর ভালো লাগে না, সেদিনটা কবে যেদিন শুধু আয়েসি ভংগিতে বসে খেলা দেখবো আর আসে পাশের ইন্ডিয়া-পাকিস্তানের লোকজনকে ভাবের সাথে বলবো "ITS a gentleman play"। 

২৮) মায়া কান্না করে লাভ নেই।দুই শালা, স্বমন্দি মিলে আমাদের স্বপ্নকে ধ্বংস করে দিছিস।সালা এত বুড়া হইয়ে গেছিস এখনো ম্যাচিউরিটি আসে নাই। কাহিনী শেখাও।পাতানো ম্যাচ খেলে ১৬ কোটি মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষা কে ধুলোয় মিশে দিছ। এই বয়সে ম্যাচুরিটি না আসলে ভাই পদত্যাগ কর।

২৯) বাংলাদেশ হারছে তাতে অাফসোস কিসের পাগোল? আরে ভাই তাসকিনটা তো মাত্র হাটতে শিখলো, সৌম্য একটু দৌড়ায়, সাব্বির অার রিয়াদ মাকে ছাড়াই স্কুলে যেতে শুরু করেছে সবে। সাকিব, মুশফিক কি অার করবে দুই জন। অার মুস্তাফিজ, রনি তো মাত্র এখনো ফিডার ছাড়েনি। তবে জানিস...!! মুস্তফিজ খুব তেজী হবে রে। এই টুকু বাচ্চা কি যে সাহস নিয়ে শিকারির উপর ঝাপিয়ে পরে, সে অার বলবো কি? সব কটা বাঘের বাচ্চাকে বড় হতে দে। তারপর সামনে দাড়িয়ে শুধু ইশারা করবি,(মাশরাফি) অার দেখবি শিকার কিভাবে ছিড়ে খায়। অনেক রাত হলো, অাহত বাচ্চাদের নিয়ে ঘুমিয়ে পর। স্বপ্ন দেখ নতুন অার একটা ভোরের। 

৩০) ক্রিকেট খেলা স্রিস্টি হবার পর তেকে এরকম ১০০% ভালো পজিশনে তেকেও কুনো দল হেরেছে..........?

৩১) এক রানে কি কেউ হারে?....উত্তর দেন.....Answer me......

৩২) আমি cricket খুবই. ভালো বাশি ..আমি New Zealand থাকি. বাংলদেশর সাথে সময়. এখানে 7 ঘন্টা ডিফারেন্ট তাই বাংলদেশর টাইম ওনুজাই আমাদের এখানে রাত 3 টায় খেলা শুরু হয়েছে..রাত 3 টায় উঠে খেলা দেখে ..সকাল 7 টায় খেলা শেষ করে আবার. আমার ডিউটিতে গেছি ...কি আর বলবো

৩৩) কিন্তু একটা কথা হয়তো জানস। Bangladesh score => 32+29+20+22+29+9 = 141 run then 141+5 extra =146 run. তাহলে আমরা 145 run নিয়ে 1run e কেনো হারসি?

৩৪) আমাদের বিসিবি মেরুদণ্ডহীন, বাংলাদেশের সব্বাইকে ব্যান করে দিলেও তারা প্রতিবেশীর জন্য ফুল আর ইলিশ মাছ নিয়ে দাড়িয়ে থাকবে।

৩৫) ভিক্ষা দিলাম এইবার এক রান ।ওদের বুকে পাড়া দিয়া ধরছিলেন । দম যাওয়ার আগে পা ফশকায়া গেছে । 

৩৬)  ১২ বছর যাবত আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন আর কিভাবে ৩ বলে ২ রান নিতে হয় সেটা জানেন না। তদের কে বলেছে জাতীয় দলে খেলতে। ওদের প্লেয়ার বাউয়ান্ডারি কাছে ছিল ব্যাট দিয়ে খুচা দিলেই দুই রান হয়।

৩৭) পারলে অবসর নেন।দলে টাইগার দরকার ছাগল না।

৩৮) ধনী যখন... - চোর বাটপারের মতন একটা বলের পর হাজার হাজার মিনিট সময় নিয়া বলার এর কাছে গিয়ে কথায়... - ফিল্ডার একটা এখানে, আরেকটা ওখানে নিয়া একের পর এক কথা বইলা, ব্যাটস ম্যানের মোটিভ চেঞ্জ করে... ...তখন কি বাংলাদেশ দলের কেউ ছিলো না; যে এক দৌড়ে গিয়ে বলে আসবে, দুই বলে দুইটা রান নিয়ে জিতে আয়। বাউন্ডারি দরকার নাই। 

৩৯) আমার সবচেয়ে প্রিয় জিনিস আপনারা কালকে কেড়ে নিছেন ভাই ''ঘুম''

৪০) আপনি আউট হয়েছেন ঠিক আছে ,কিন্তু যাওয়ার সময় রিয়াদ ভাইকে তো বলে যেতে পারতেন যেন ,একই ভুল তিনি না করেন।

৪১) তোর ২ টা ভালো শটেই জিতার সম্ভাবনা তৈরী হয়েছিল, অাবার তোর ১ টা বাজে শটের কারনেই অামরা হেরে গেলাম...
অামি তোকে বলতেছিলাম, অাগে একটা সিঙ্গেল নিয়ে ম্যাচ ড্র কর।
তুই বড় শট খেলে বাহাদুরি দেখাইতে গেছিস...
হাতে যদি কমপক্ষে ৫/৬ টা বল থাকতো, তবে তোর ওই বাজে শট টা ঠিক ছিল...

বি.পি.এল এ মাঠে থেকে ২ ম্যাচ ১/২ রানের জন্য হারলি...
কারন, তুই ১ রান নিতে গিয়ে বলার কে স্ট্রাইক দিয়ে দিলি,১ দিন মেনডিস কে, অারেক দিন শহীদ কে...
তারপর নন স্ট্রাইকে দাড়িয়ে দাড়িয়ে দলের হার দেখলি...
সেই থেকে তোর ব্যর্থতা শুরু...

তবুও সাপোর্ট দিয়ে গেছি। জানি, তুই ই অামাদের মিঃ ডিপেন্ডেবল।

অাজ পারতি এত দিনের ব্যর্থতার ক্ষতে প্রলেপ লাগিয়ে দিতে।
কিন্তু, উল্টু ক্ষতটা বাড়িয়ে দিলি...

পাকিস্তান কে হোয়াইট ওয়াশ করেছি ঠিকই,এই এশিয়া কাপেও হারিয়েছি...

তবুও ওই ২ রানের জন্য হৃদয়ে যে ক্ষতটা হয়েছে, মনে হলেই সেখানটায় ব্যথা করে রে...

অাজ যে অাশার বাণী শুনিয়েছিস, মানছি সেটা...
তবে এই যে ১ রানের ক্ষত, এটা কিভাবে শুকাবে বলতে পারিস.? অাদৌ কি শুকাবে.???

এই যে এত কথা লিখছি, চোখ থেকে টলটল করো অশ্রূ ঝরছে...

কথাগুলো হয়তো তুই পড়বি না...

তোর এডমিনও পড়বে কিনা জানি না, তবুও লিখলাম।

ফিরে অাগের চেয়ে অারও ভালো ফর্ম নিয়ে...

মনে রাখিস,

ক্রিকেট শুধু ৪,৬ এর খেলা না। টি-২০ ক্রিকেট মানেও শুধু ৪,৬ নয়...
এটা বুদ্ধিরও খেলা...

শুধু বাহুর,অার কব্জির জোর নয়,মনের জোর দিয়েও ক্রিকেট খেলতে হয়...

এভাবে অার কাঁদাইস না অামাদের...

সাথে ছিলাম, সাথে অাছি.....

কথা দিলাম, সাথে থাকবো, অার বলবো.... " সাবাস্ বাংলাদেশ "

৪২) হ্যা, এটা ঠিক, কালকে আপনাদের (+মাহমুদুল্লাহ)আউট হবার ধরনে কষ্ট পেয়েছি, কিন্তু তারপরেও আমরা বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য আপনাদের অবদান ভুলে যাচ্ছিনা। বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য ভালাবাসাটাও একবিন্দু কমেনি। এটাও অস্বীকার করিনা যে, স্মরণ কালের মধ্যে এত উত্তেজনার ক্রিকেট আর দেখিনি, এ জন্যেও আপনাদের একটা ধন্যবাদ নিশ্চয়ই পাওনা। আমাদের ক্রিকেট এখন পরাশক্তির কাতারে, এ জন্যেও আপনাদেরইধন্যবাদ......। আর হ্যা, প্লিজ এ রকম খেলা আর খেলিয়েন না রে ভাই, আর একটু হলে জানটাই বেরিয়ে যেত ......।

৪৩) গতকালের ম্যাচের ফলাফল মেনে নেওয়ার মত নয়। এতো ভালো খেলার পরও যদি আমরা সাফল্য না পাই তাহলে বলার কিছুই নাই, শুধু এটুকই বলল বাঙ্গালী cricketer দের Hidden কোন problem আছে..... তা না হলো এত closed একটা ম্যাচ আমরা হারতাম না।।

৪৪) ভাই তোমাদের খেলা দেখার জন্য বউ এর সাথে ভেজাল করতে হয়।তবুও তোমাদের খেলা দেখি।ভারতের সাথে হারটা যে এত কষ্টদায়ক ছিল তা ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়।তোমরা যদি আর একটু মনোযোগ দিয়ে খেল তবে আমরা প্রত্যেক ম্যাচ জিতব।তোমাদের সাথে ছিলাম,আছি,এবং থাকব।best of luck next match.

৪৫) রবার্ট ব্রুস অনেক বার যুদ্বে হারছে কিন্তুু পরে ইংলেন্ডের রাজা হইছে, so bangladesh ও পারবে

৪৬) No we can do nothing. its proved again. আসলে সৃষ্টি কর্তা কে এভয়েড করে কোন কিছুই যে সম্ভব না গত কাল কের ম্যাচটাই তার একটা বর প্রমান। অনেকেই অনেক পোস্ট দিসেন দেক্তাসি, আম্পআয়ার, ইন্ডিয়া, তাস্কিন আর মেলা কিছু............। কিন্তু আমার ক্রিকেত অভিজ্ঞতা বলে যে গত কাল বাংলাদেশের খেলয়ার দের মাথা থেকে কিছু জিনিশ গায়েব হইয়া গেসিল। জিনিশ গুল হলঃ ১। ক্রিকেট সেন্স, ২। ক্রিকেট ট্রি ক্স, ৩। এত বসরের অভিজ্ঞতা। তবে এই গায়েব ডা করল কে ডা?

৪৭) নব্যপ্রস্তরযুগ থেকে দলে খেলেতেছেন, আর কত শিক্ষা গ্রহণ করবেন?
৩ বলে ২ রানের খেলাতে করলেন জিরু রান আর দিয়া দিলেন ২ উইকেট।
এবার নিজের অবস্থান বিবেচনা করেন, দল থেকে সেচ্ছায় পদত্যাগ করা উচিত আপানার আর মাহমুদুল্লার।
Actually বাংলাদেশর যেন জেতার অভ্যাসটাই নাই, কিনারাতে giye হারাটাই নিয়তি হয়ে দাড়িয়েছে।।

৪৮) হারেন সমাস্যা কি! কম ম্যাচ তো হারি নাই কিন্তু এভাবে হারলে মানা যায় না। একজন ভূল করতে পারে কিন্তু দুই জন! আসলেই এটা মানা যায় না আর শুভাগত! উনি তো বল এ দেখে না গা দিয়া ঠেকালেও ম্যাচ টা ড্র হইত। প্রফেশনাল হতে হবে ভাই।

৪৯) এখন থেকে আফগানিস্তান এর খেলা দেখবো। আর তাদের কেই সাপোর্ট করবো। বাংলাদেশের কালকের খেলা দেখে সারা রাত এর ঘুমটা nosto হইছে। জীবনে আর না জিতুক কালকের ম্যাচটা জিতলে বাংলাদেশের কাছে আর চাওয়া ছিলো না।।। বাংলাদেশকে দিয়ে আর কোনো আশা নাই। ৬ পারে না মারতে, ৩ বলে ২ রান লাগে ঐ সময় মুুশফিক ৬ মারতে যায় সাহস কত? single কেমনে নিতে হয় india কাছ থেকে শিখে নিও। যত সব ,,,,,, শুধু বিসিবি তাদের পিছনে টাকা খরচ করে।

৫০) ৩ বলে দরকার ২ রান।ক্রিজে আছেন বাংলাদেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য,অভিজ্ঞ,শীতল পেশাদারি ক্রিকেটার মুশি আর অন্য প্রান্তে আছেন সাইলেন্ট কিলার, ঠান্ডা মাথার খেলোয়াড়, চাপের বাপ মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।কোনো বাউন্ডারির দরকার নাই।শুধু ১ টা সিঙ্গেল হলেই ম্যাচ টাই অথচ সেই ৩ বলে কিনা ০ রানে ৩ উইকেট।মানতে পারছিনা.....পারছিনা...পারছিনা....সব কিছু "Sorry " বললেই মাফ করা যায় নারে ভাই....খুব কস্ট পাইছি।ইচ্ছা করছে ক্রিকেট খেলা দেখাই ছেড়ে দেই.....কিন্তূ কি করার হারলেও বাংলাদেশ, জিতলেও বাংলাদেশ।

৫১) ভাই এভাবে আপনারা আমাদের কেন কাদালেন..যদি single niten তাহলে কি খুব ক্ষতি হত!!! কিন্তু মোস্তাফিজ ত পারত একটু ফাষ্ট হতে.ধনির বাচ্চা এত দুর হতে এসে stamping krlo এটা মানতে পারছি না ভাই???

৫২) মায়ের গর্ভথেকে কেউ শিখে আশেনা প্রকৃতির নিয়োম অনুশরে ধীরে ধীরে শিখে, তোমার এতো দিনের অবিগ্যতা থেকে কি শিখলে,? নির্বুদ্বিতার পরিচয় দিলে, যদিও দুঃখ পেয়েছি তার পরও হতাশ হইনি, আশারাখি ভালো কিছু পাবো+হবে সামনে,

৫৩) তুমি কড়জোড়ে দেশবাসির কাছে মাফ চাও।কারন তুমি world class stupid.নিজের ভায়রা ভাই কে ও হিরো হতে দিলানা।তুমি single নিলে কি ম্যাচ জিতাইছো সবাই বলতো না? তুমি বরং অবসরে যাও।এমন পিচিচ কবুতর আমাদের দরকার নাই।১৬ কোটি বাংগালি তোমাকে এখন ভিলেন মনে করে।

৫৪) পুরা game টা আমাদের হাতেই ছিল। last 3 balls 2 runs nedded. এই সময়ে ছয় মারতে যাওয়ার কনো দরকার ছিলনা। উচিত ছিল একটা single বের করে ম্যাচ টা ড্রো করা। ok no problem এইখান থেকে sikkha নিয়ে এগিয়ে যাও bangladesh....

৫৫) দোয়া করি যেন সারা জীবন এরকম টাই ঘটে!!!এক রাতে ঘুমাতে পারি নাই"!আর ফিউচারে ঘুম বাদ দেয়ার ভুল করব না।this my decision

৫৬) তবে সিনিয়র খেলোয়াড় কে সব সময় দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হয়,
সময় বুঝে,
দু জনই সিনিয়র প্লেয়ার,
কালকের এই সট দুটো খেলা মোটেই উচিৎ হয়নি,
কারণ সিংগেল রান নিলেই ম্যাচ জিতে যায়, এখানে সট কেন খেলবো???
আর দু ভায়রাই একই সট খেলা, বুঝলাম না,
নাকি দুই ভায়রা মিলে আমেরিকা তে কটেজ বানানোর লোভ হয়েছিল,
?????????????
লোভ লালসা একটা ভাল প্লেয়ার ধংস করে দেয়,
কাল ১৬ কোটি বাংগালির ৩২ কোটি চোখের অশ্রুকণায় বন্যা বয়ে গেছে
এটাও বুঝতে হবে,
আমেরিকার কটেজের সুখের চেয়ে বাংলার কুড়ে ঘরের সুখ বেশী তৃপ্তি দায়ক@

৫৭) ৩ বলে ২ রান নেওয়া কি অসম্ভব ছিল?তোমাদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন, কি করেছ তোমরা।জাতিকে একটা তামাসায় পরিনত করেছ।

৫৮) প্রথম 3বলে 9 পরের 3 বলে 3 out।ঐ সময় তো 6 মারার সময় না ওটা সিংগেল বের করার সময় ।এই simple জিনিসটা তোমাদের দুই ভায়রার মনে কি একবার ও আসে নাই?তোমাদের দুজন কে শ্বশুর বাড়ি থেকে নির্বাসিত করা হোক।

৫৮) বাংলাদেশ হারছে তাতে অাফসোস কিসের পাগোল? আরে ভাই তাসকিনটা তো মাত্র হাটতে শিখলো, সৌম্য একটু দৌড়ায়, সাব্বির অার রিয়াদ মাকে ছাড়াই স্কুলে যেতে শুরু করেছে সবে। সাকিব, মুশফিক কি অার করবে দুই জন। অার মুস্তাফিজ, রনি তো মাত্র এখনো ফিডার ছাড়েনি। তবে জানিস...!! মুস্তফিজ খুব তেজী হবে রে। এই টুকু বাচ্চা কি যে সাহস নিয়ে শিকারির উপর ঝাপিয়ে পরে, সে অার বলবো কি? সব কটা বাঘের বাচ্চাকে বড় হতে দে। তারপর সামনে দাড়িয়ে শুধু ইশারা করবি,(মাশরাফি) অার দেখবি শিকার কিভাবে ছিড়ে খায়। অনেক রাত হলো, অাহত বাচ্চাদের নিয়ে ঘুমিয়ে পর। স্বপ্ন দেখ নতুন অার একটা ভোরের।

৫৯) প্রশিক্ষণ, প্রাকটিচ, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ তো হলো অনেক, এখন আমাদের স্বনামধণ্য ক্রিকেটারদের শুধু ক্রিকেটীয় গণিত শেখানো উচিত (বিশেষ করে মুশফিক ও মাহমুদুল্লাহকে) কখন ১, কখন ২ ,কখন ৪, কখন ৬ নিতে হবে ....কখন ম্যাচ টাই করে উইনিং রানের জন্য খেলতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি ।

৬০) আমি কি বিশ্বকাপ চেয়ে ছিলাম।
উওর ঃনা
আমরা কি বলেছিলাম ২ বলে তিন দরকার ছক্কা মারতে
উওর ঃ না।
তাহলে কেন এমন অসহায় হতে হলো?
আমাদের আবেগ নিয়ে খেলার কোন অধীকার আছে কি?
উওরঃনা।
আমরা চাই নি কাপ চেয়ে ছিলাম শুধুমাএ একটা জয় আর এটা হোক ভারতের বিপক্ষে,হয়েও কেন হলো না, তা আমরা সবাই জানি, মাএ তোমাদের খামখেয়ালি সামান্য ভূল পুরো জাতিকে শুধু কাঁদালোই না অপমান, অপদস্ত পরোনের লুঙ্গী টাও খুলে ফেলছো।।।।
কিন্তু কেন?
আর কত
কাঁদবো?
তোমাদের সকল জয়কে ম্নাল করে দিয়েছে একটি মাএ পরাজয়।।।।
#তোমরা এখন আর অবুঝ বালক না, সাবালক হয়ে গেছো, কি করে মনকে বুঝায় বলো,,
তোমাদের পিছনে মাসে যা খরচ হয় তাদিয়ে বাংলাদের অর্ধেক মানুষ খেয়ে সুখে জীবন যাপন করবে,
এছাড়া বলার আছে অনেক কিছু।।।।।।
#এতকিছুর পরও ভালোবাসি বাংলাদেশকে ভালোবাসি তোমাদের, আছি থাকবো, পিলিজ
এমন করে আর কাঁদতে চাই না আর পারবোও না,,,,
পিলিজ ডু সামথিং ফর আস্,,,,,,,,
উই know you's can...... Best of luck....
--

** পুরো কমেন্টের পাঁচ শতাংশ'ও পড়া হয়ে ওঠে নি। নিশ্চয়ই অনেক মণি-মুক্তো বাকি থেকে গেল। ফ্রান্সিসের নেতৃত্বে ভাইকিংরা আসছে সেগুলো তুলতে।