Monday, February 27, 2017

দিয়া

দিয়া জ্বলছিল।
আজ আমাদের পনেরো বছরের বিবাহবার্ষিকী।

বিয়ে, সেই কবে।
মুখোমুখি আলাপ পরিচয়, ছোট্ট কোর্টশিপ।
আমাদের বিয়ে।
পরিবারের হাসিকান্না মিলে বিদেশ পাড়ি।

কত বড়ো ফ্ল্যাট।
এদেশে তখন ওরকম দেখাই যায় না, এখনও না।
তারপর সৌমিলী এলো।
বাবা নেই বহুদিন, মার মুখে হঠাৎ করে হারিয়ে যাওয়া হাসি।

ব্যস্ত জীবন।
বাবা মা আঙ্কল আন্টি চিড়িয়াখানা সুইমিং পুলে সৌমিলী। হ্যাপি বার্থ ডে।
সৌমিলী দৌড়চ্ছিল।
হঠাৎ পড়ে গেলো, খুব দুষ্টু হয়েছে। ওর মা তো জেরবার।

হয়তো কিছু নয়।
গিন্নী বলছিলে আজকাল সৌমিলীকে খুব চেষ্টা করে ছুটতে হয়। হাঁপিয়ে পড়ে।
বিদেশে বিপদ।
হাঁটতে পারছে না সৌমিলী, বসে থাকতে থাকতে শুয়ে পড়ছে।

ডাক্তার বলছে জেনেটিক।
কি মুশকিল, সবাই শুধু অসুখের নাম জিজ্ঞেস করে। নামহীন রোগের নাম কি অনামিকা?
চাকরি ছেড়ে দিলাম।
দেশে ফিরে যাচ্ছি, সাথে একটা বড়ো ফাইল, ছবি আর রিপোর্ট, রিপোর্ট আর ছবি।

আমেরিকা, জার্মানি আর ব্রিটেন।
নেটে পড়লাম - অনামিকা'কে নিয়ে গবেষণা হয়। চিঠি লিখলাম।
সৌমিলী শুয়ে থাকে।
দেহকান্ড নড়ে না, হার্টবিট সাতচল্লিশ, শুধু আমায় দেখলে চোখের পাতায় একটা হাসি।

দেশে ফ্ল্যাটে জায়গা কম।
আমার অবশ্য এত স্পেস আর লাগে না, একটা চার জিবি পেন ড্রাইভ, ব্যস।
পাশের ফ্ল্যাটের ছেলেটা। মহুল।
হঠাৎ আলাপ করল। আমি তখন পেন ড্রাইভে চিড়িয়াখানা সুইমিং পুল আঙ্কল আন্টি আর হ্যাপি বার্থডে।

মাছ সেদ্ধ করে চায়ের ছাঁকনি।
এর পরে  যে জলটা গড়িয়ে পড়ে সৌমিলী সেটা খায়। অনামিকা জিতে যাচ্ছে।
মহুল হঠাৎ নক করেছে।
বলছে সব কাগজ স্ক্যান করে তুলে রাখতে, বিদেশে পাঠাতে সুবিধে।

দেশে ফেরার সাত বছর।
সৌমিলী এখনও শুয়ে, আমার চার চাকা সব সময় ফুলট্যাঙ্ক।
কোন ফ্ল্যাটে থাকেন?
গিন্নী গ্রাউন্ড ফ্লোরে গেছিল, সিকিউরিটি জিজ্ঞেস করেছে। কোনোদিন নিচে নামে নি তো।

মহুল আমি আর ইমেলের ড্রাফট।
কোথায় জানি এক্সপেরিমেন্টাল রিসার্চের কাজ হচ্ছে। অনামিকা'কে নিয়ে।
গিন্নী ফোন করেছিল।
সৌমিলীর শরীর খারাপ, রাস্তায় মাঝপথ থেকে ফিরছি।

আবার ফোন।
বলছে তাড়াহুড়ো করে না আসতে।
মহুলকে ফোন করলাম।
ওকেও তাড়াহুড়ো করতে বারণ করলাম।

কেওড়াতলায় দশ নাম্বার।
এক এক জন চল্লিশ মিনিট করে, দুটো চুল্লী পাশাপাশি।
সৌমিলী চলে গেল।
সব ফর্মে কেন ভালো নাম লিখতে হয়? দিয়া এখন শুধু পেন ড্রাইভে।

আজ আমাদের বিবাহবার্ষিকী। পনেরো বছরের।
দিয়া জ্বলছিল।

Thursday, October 20, 2016

কেউ কি জান/ সৃজিত কেন/ টলিউডের রাজা

সুকুমারের কাছে হাত জোড় করে ক্ষমা চেয়ে ...

কেউ কি জান/ সৃজিত কেন/ টলিউডের রাজা
ছবির ফ্রেমে/ বাঁধিয়ে রাখে/ ঔদ্ধত্য ভাজা ?

ছবির নামে/ অষ্ট প্রহর/ কেন শুধুই ধাঁধাঁ ?
হলে গিয়ে/ মাথা ঠোকে/ কেন দর্শক গাধা ?

কেন সেথায়/ সন্তু বাবু/ প্রেম ধরেছে গানে ?
ডনের মুখে/ বাংলা শুনে/ (সবাই) তাকায় অবাক পানে ?

সব চরিত্র/ কেন চাপে/ এর ওর পিঠে ঘাড়ে ?
কান মুলছি এবার/ দেখব না আর/ নারে নারে নারে।

অনুপমের/ গান গুলো সব/ মিষ্টি প্রেমের ইয়ে
কি করে সব/ সিকোয়েন্স হয়/ গুলি বন্দুক দিয়ে

সৃজিত কেন/ পোস্টার মারে/ সারা কোলকাতা জুড়ে
মন দিয়ে তো/ চিত্রনাট্য লিখলে/ খানিক পারে

বাজেট যদি/ কমই তো ভাই/ বানাও কেন মুভি ?
খবরের কাগজে/ পেড সাক্ষাৎকারে/ ভুলবে নাকি ভবি ?

এরও পরে/ বক্স  আপিসে/ উঠছে কাঁটা জোরে
কেম এমন/ ঘটছে তা কেউ/ বলতে পার মোরে ?

Monday, October 17, 2016

প্লিজ সৃজিত

সৃজিত মুখার্জী ফের সশব্দে হাগলেন। মানে রাজকাহিনীতে'ও হেগেছিলেন, তার আগে মিশর রহস্যে'ও - ভুটভাট শব্দ হয়েছিল। কিন্তু এইবার কড়া জোলাপ খাওয়া পেট পো-ই-স্কা-র করা হাগা।

খারাপ লাগছে শব্দগুলো?
আমার কিন্তু ভাই বলার অধিকার আছে। যে ভদ্রলোক অটোগ্রাফ, বাইশে শ্রাবণ, জাতিস্মর, এবং কিছুটা হলেও চতুষ্কোণ বানিয়ে, মন ভরিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি যখন অন-স্ক্রীন চরম মাখালেন, তখন বলতে হবে বৈকি!
ষষ্ঠীর গভীর রাতে নিউ টাউনের ধু ধু ফাঁকা হল থেকে বেরিয়ে মনে হল সেকেন্ড ইয়ার ফিরে পেলাম। সিনিয়র দাদাদের পাল্লায় পড়ে রামসস্তা রাম খেয়ে রাম মাথাব্যথা। একদম দেজাভু - এক অনুভুতি।
ব্রেথ অ্যানাইলাজার পজেটিভ বেরোত না, কিন্তু মাথা ছিঁড়ে যাচ্ছিল।

কিন্তু জানেন কি?
খারাপ লাগত না, যদি না শেক্সপীয়ার এর গপ্পের অ্যাডাপ্টেশন, বুদ্ধিদীপ্ত অভিনয়, টানটান চিত্রনাট্য - ট্রেলারে এসবের লোভ দেখিয়ে ভুল পথে না চালাতেন। কি ট্রেলার, আর কি ছবি - মাইরি আপনি তো বাংলা সিনেমার সুদীপ্ত সেন!

ইউটিউবে অনেক ইন্টারভিউ'তে শুনলাম - সৃজিত এবং বাকিরা বললেন, এই বাজেটে এরকম ছবি নাকি ভাবা যায় না। আরে কি মুশকিল, কে বানাতে দিব্যি দিয়েছিল? বিরিয়ানি খেতে ইচ্ছে হলে পয়সা খরচা করে খাবেন, থোড়াই এম ডি এইচ বিরিয়ানি মশলা দিয়ে মিনিকিট সেদ্ধ করে খেয়ে নেবেন।

প্রচুর আন্ডারওয়ার্ল্ড সিনেমা দেখেছেন, তো? আমি, আপনি, সৃজিত - সবাই। কিন্তু এরকম যাত্রাবাহিনীর পোশাক আপনি কক্ষনো দেখেননি, একদম গ্যারান্টি। একটা লোক গীটার বাজাচ্ছে, কোন হাত চালানোর মাথামুণ্ডু নেই। যেন ঘুঁষি মেরে তবলা বাজানো হচ্ছে।

সৃজিত'কে অনুরোধ - অনেকবার দেখেছেন হয়তো আরেকটিবার নায়ক সিনেমাটি দেখুন। যাত্রায় যেটা চোখে লাগে না, অন্ধকার ঘেরাটোপে সিনেমার ক্যামেরা সেটাকেই হাজারগুণ বড় করে দেখায়। আপনার ভুলগুলো, চিত্রনাট্যের ফাঁকগুলো - সবকিছু।

এই সময় এবং অন্যান্য খবরের কাগজে দিনের দিনের পর দিন ইন্টারভিউ ছাপাতে (কিনতে - জানিনা আপনি বাল্ক রেট পেয়েছেন কিনা, তবে মোটামুটি পঞ্চাশ হাজার থেকে এক লাখ তো লাগে এক একটা ইন্টারভিউ-কাম-বিজ্ঞাপনের পেছনে), রাস্তা জুড়ে অগুনতি জমকালো হোর্ডিং লাগাতে, সঙ্গীত বাংলা নামক চ্যানেলটিকে একপেশে ভাবে টিভি আর ইউটিউব ছেয়ে ফেলতে তো কম সময়, পরিশ্রম আর পয়সা ব্যয় হয় নি। তার কিছুটা দিয়ে যদি চিত্রনাট্যের ফাঁক গুলো বুজতেন, পাঁচটা মেটিয়াবুরুজের মানুষের সাথে কথা বলে ভাবতেন যে তারা কি ভাষায় কথা বলে, তাহলে হয়তো মানি ওয়েল স্পেন্ট হত।
আপনার আমার দুজনের'ই। কি বুঝলেন?

অষ্টমী নবমীতে সাতাশি লাখ তুলেছেন? সত্যি? আপনার ফেসবুক শেয়ারেই জানলাম। ও হো আপনি তো আগে অর্থনীতির ছাত্র, ভালো স্ক্রিপ্ট না বানিয়েও কিভাবে হল ভরিয়ে ফেলে যে প্রযোজকের টাকা ঘরে ফেরানো যায় - এ তো আপনার বিলক্ষণ জানা!
 
সন্তু গান গেয়ে প্রেম করছে - প্লিজ আমার ছোটোবেলা'টা কেড়ে নেবেন না। আপনি ফেলুদা করলে তো তোপসে'কে আবার নিতবর হতে হবে। প্লিজ করবেন না।

মিশরে মরু ঝড় - নিউটাউনে হাইরাইজের কন্সট্রাকশন সাইটে, বালির ট্রাক আনলোড হলে ওর থেকে বেশী ধুলো ওড়ে।  আমার বড়বেলাটাও কেড়ে নেবেন না।

মেটিয়াবুরুজের ডন পরিষ্কার বাংলা ভাষায় কথা বলছেন, আচ্ছা জুলফিকর কি কমেডি ফিল্ম ছিল? আপনার এই মোচড়টা কি আমার মোটা মাথায় ঢোকে নি?

সারা সিনেমা জুড়ে চুল টেনে বসে ছিলাম - এই অব্দি বাজে হয়েছে এবার নিশ্চয়ই ভালো হবে। ফের দেজাভু। এখানেও ছোটবেলা ফিরিয়ে দিয়েছেন। সচিন ফিরে যাবার পরে নিশ্চিত হার জানার পরেও যে ভাবে বসে থাকতাম।
মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষ'কে বারবার টেনে নিয়ে যাচ্ছেন।
নায়ক দেখার পাশাপাশি রাখাল ছেলে গল্পটাও আরেকবার পড়ে নেবেন।

আর মনে রাখবেন, সত্যজিতের সাথে তিরিশ ফুট বাই তিরিশ ফুট ছবি ছাপা হলেই একজন সত্যজিৎ হয়ে যাওয়া যায় না। সত্যজিৎ বা হিচকক ব্যাপারটা না হব বললেই হওয়া যায় না, অনেকদিন ধরে মানুষ বললে তখন হয়।

স্তাবকদের ভুলে গিয়ে একটা বেশ নির্মেদ ছবি বানান না, সেই অটোগ্রাফের মত। যেটা দেখে ভাবা যায়, নির্মল আনন্দ পাওয়া যায়।

সেই যেরকম ছবি যেটা দশ বছর বাদেও আবার দেখব, দেখার ইচ্ছে হবে।

Friday, March 25, 2016

মোদের গরব মোদের আশা

সূত্রঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের সদস্য মুশফিকুর রহিম নিজের ফেসবুক পেজে একটা পোস্ট করেন। টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে হারার পরে। 
https://www.facebook.com/MushfiqurOfficial/posts/10153991239907012:0

ঘটনাঃ

প্রতিক্রিয়াঃ (অনিবার্য কারণ বশত, চাপাতির হাত থেকে গলা বাঁচাতে নির্বাচিত মন্তব্যকারীদের নামোল্লেখ করা হল না। বানান এবং ব্যাকরণের দায়িত্ব অবশ্যই তাঁদের।)

১) ভাই ছক্কা মারার চেষ্টা না করে ঠেকাই ঠেকাই ২টা রান নেয়া জাইত।বাদ দেন।

২) আমরা পাকিস্তান কে শত্রু মনে করি। হ্যা তারা শত্রু। কিন্তু আমাদের এই দুর্দিনে পাকিস্তানী ক্রিকেটারগণ পাশে দাড়িয়েছে।শহীদ আফ্রিদি, ওয়াসিম আকরাম, শুয়েব আকতার দেরমতো তারকারা সমর্থন দিয়ে আসছে আমাদের।.তারা চাইছে তাসকিন ও সানিরা আবার ফিরে আসুক।যারা দুর্দিনে পাশে দাড়ায় তারাই তো প্রকৃত বন্ধু।

৩) আপনার কমেন্টটা পরে কান্না এসে গেল ভাই । এত ক্ষোভ কি কিভাবে পুষে রাখেন ভাই।

৪) সোজা হইয়া দড়াইয়া খেলতে পারে না,ঘুইরা খারাইলে তো আরো পারবো না। ঘুরে দড়ানোর দরকান নাই।

৫) ভারত অনেক হারার চেষ্টা করছে।।৩ টা ক্যাচ মিস করছে।।কিন্তু আমারাই ওদের হারতে দেই নি।।কি দরকার দাদাদের কষ্ট দিয়ে।।।

৬) এখন ভারত পাকিস্তান অনলাইনে মিলে আমাদের বাঁশ দিতেছে।

৭) কাল আমরা দেখেছি ইতিহাসের সবচেয়ে স্বরনীয় ম্যাচ। আমরা দেখেচি ৯৯ - র সেই অষ্ট্রেলিয়া বনাম সাউথ আফ্রিকা ম্যাচ।
আমরা নিজেদেরকে সাউথ আফ্রিকা ভাবতে পারি।


৮) ২ টা চার মারার পর ছাগলের মত লাফালাফি করলো .. মনে করছে তখনই খেলা জিতে গেছে .. আরো যে ২ রান বাকী ছিল , সেটা করার আগেই আউট .. 

৯) ভাই তোমার কোনো দোষ নাই।।it's just happen..... amra মাতরো ১ রান এর জন্য হারছি।।মুশফিক ভাই তুমি যদি ২টা চার না মারতা তাহলে ৯ রান এ হারতাম।।।it's ok bro.nxt time hoba inshallah

১০) #আমি আজকে শপথ নিলাম ,বাংলাদেশ যেদিন T20 তে ইন্ডিয়াকে হারাতে পারবে আমি সেদিন ক্রিকেট খেলা দেখবো,তার আগে না ৷৷

১১) যারা বলছেন এটা একটা লার্নিং প্রসেস, বুলশীট। we have played enough professional cricket! ২০১২ এশিয়া কাপ ফাইনালে তাইলে কি শিক্ষা নিসিলাম?যারা বলছেন ওরা আমাদের থেকে ভাল খেলা বুঝে, ভাই, ২ বছরের পিচ্চিও বুঝে ৩ বলে ২ রান দরকার হলে ছয় না মেরে সিংগেল নিতে হয়  EnD of The DaY : পাশে ছিলাম পাশে আছি & পাশেই থাকবো ইনশাল্লাহ 

১২) নিজের gf (full time)সাথে যদি breakup হতো তারপরেও এত কষ্ট পেতাম না এই খেলার জন্য যে কষ্ট পাইছি ....my heartbroken

১৩) এক মিনিট নীরবতা তাদের জন্য। যারা বাংলাদেশ হারার পরে স্ট্যাটাস মারে, "আর ক্রিকেট খেলা দেখমু না"। ভাই রে আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড ম্যাচে তুমিই সবার আগে টিভিসেটের সামনে বসবা।

১৪) ইন্ডিয়ারে দাত ভাঙ্গা জবাব দিতে একটা জয়ই চেয়েছিলাম তদের কাছে!!
আর উলটো তরা দেশের মানুষের আবেগ নিয়ে খেলা করলি??
জীবনেও তরা ছক্কা মারিস নাই??


১৫) আমাদের চোকের জল ধেকে রাতে আকাশটা কান্না করেছিল।সব কিছু দরে রাখতে পারি কিন্তুু চোকের জল দরে রাকতে পারি না।যদি তুরা 10-20 রানে হারতি আমারা কষ্ট পেতম না।কিন্তুু বিজয় এর পতাকা তুলে হেরে গেলি।এর ছায়তে কষ্ট আর কিছু নাই। 

১৬) একটা সময় ছিলো, বাংলাদেশ মানে শুধুই হার এবং হতাশা। আর এখন সময়টা হচ্ছে বাংলাদেশ মানেই আতংক।

১৭) আমিও একজন খুব ছোট খেলোওয়ার আমি দুবাইতে পাকিস্তানি এবং ইনডিয়ার সাথে অনেক ম্যাচ খেলেছি।তারা ছোট খেলারী। আমরা ৮/১০ ঘনটা কাজ করার পরে সুজা মাঠে চলে যাই। আমরা টেপ টেনিজ দিয়ে খেলি। তবুও আমি বলিব যে তিনটি বল শেষে আপনারা যে খেলছেন। যদি সেই তিনটি বল আমরা খেলতাম তা হলে। আমি প্রথমে একটি রান নিয়ে ম্যাচ সমান সমান করতাম। তারপরে যে কোন খেলোয়ার ২ বলে ১ টি রান নিয়ে নিত। জয় আমাদেরী হত।আর আমি হলে ২ বলে একটি ৪ মেরে খেলা শেষ করে দিতাম।

১৮) আজকের খেলার শেষ বলের চাপ সইতে না পেরে উত্তর ডারবানে মোহাম্মদ ইনাম আলী (৩৮) নামের এক বাঙালি হার্ট অ্যাটার্ক করে মৃত্যু বরণ করেছে। ইন্নালিল্লাহী ওয়া ইন্নাইলাহী রাজেউন। আল্লাহ তাকে বেহেশত নসীব করুক। আর কিছু বলার নাই। news from south africa

১৯) মনের রক্ত ক্ষরণ আর চোখের পানি কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না । চোখ বুঝলেই শেষ তিন বল দেখতেছি।

২০) আজ ধোনির চোখে কান্নার বদলে মুখে হাসি, কঁদছি আমরা ১৬ কোটি বাংলাদেশি।

২১) ফর্মে ফিরছেন এইটাই অনেক.....Good luck vai.....but vai world cup এ india রে হারাতেই হবে....নেপালের সাথেও হারেন we dont care..but indiar সাথে এবার কোন ভাবেই হারা যাবেনা.. যাই হোক না কেন

২২) সাব্বাস হার্দিক পান্ডিয়া! ° তিন তিনটা বেয়াকুফকে ক্রিকেট যে কুতকুত খেলা না তা বুঝিয়ে দিবার জন্য ধন্যবাদ! ° সহ্যের একটা সীমা থাকা উচিৎ! কোন বিশ্বাসে আমি ভবিষ্যতে ওদের সাপোর্ট করব,যারা কিনা ৩ বলে মাত্র ১টি রানও নিতে পারেনা! ° কথা দিয়েছিলাম খারাপ সময়ে পাশে থাকব।। এটাকে খারাপ সময় বলেনা। এটাকে বলে বিশ্বাসঘাতকতা! ° খুব কষ্ট পাচ্ছি। বলে বুঝাতে পারব না।

২৩)  আর কত মখা বানাইবেন আমাগো?আসলে আপনাদের দোষ কি, দোষটা আমাদের একটু বেশি প্রত্যাশা করছিলাম আপনাদের উপর।দায়িত্ব হীন ব্যাট করে তার প্রমান দিলেন।তিন বলে ২ রান লাগবে আর ক্রিজে আপনার দুইজন এক্সপেরিয়েন্স ব্যাটসম্যান। হারলেও বাংলাদেশ জিতলেও বাংলাদেশ কিন্তু তার দামটা আপনারা রাখলের না।

২৪) গতকালের খেলায় বাংলাদেশের হারাটা অসম্ভব ছিল কিন্তুু তোমরা সেই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছো,এজন্য সাবাস তোমাদের। আমার যতটুকু ধারনা বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের কথা তোমরা একটুও মাথায় রাখোনি ব্যাং এর মতো অবস্থা একটু ভালো খেলায় কিছুদিন যাবৎ সবাই তোমাদর পাম(হাওয়া) দিয়েছে আর সেই অতিরিক্ত পামে তোমরা ফেটে গেলে, আসলে এটাই তোমাদের আসল চেহারা।

২৫) পাকুদের সাথে শতবার হারলেও এতো কষ্ট লাগতোনা!!যাক যা হবার হয়ে গেছে!!তবে খুব ভালো লাগলো যখন দেখি শেষ ওভারে ধোনির চোখ ছলছল করছিলো!! আজ না হয় আমরা ১৬ কোটি মানুষ ৩২ কোটি মানুষের জন্য সেক্রিপাইচ করছি!!<<all the best>>সাথে ছিলাম সব সময়,,সামনে ও থাকবো.....

২৬) রিয়াদ ভাই আর আপনি আমাদের স্বপ্নটা ভেংগে খান খান করে দিয়েছেন। যখন ১২ বলে ১৭ রান দরকার তখন বিগ হিট নেন নাই,কিন্তু যখনই ৩ বলে ২ দরকার তখন আপনাদের ডানায় সুপারম্যান ভর করলো কেন??? 

২৭) আর কতো শিখতে হবে বস, এখনতো শেখানোর বয়স চলে এসেছে... প্রতিদিন ঢোল/ড্রাম নিয়ে বসতে আর ভালো লাগে না, সেদিনটা কবে যেদিন শুধু আয়েসি ভংগিতে বসে খেলা দেখবো আর আসে পাশের ইন্ডিয়া-পাকিস্তানের লোকজনকে ভাবের সাথে বলবো "ITS a gentleman play"। 

২৮) মায়া কান্না করে লাভ নেই।দুই শালা, স্বমন্দি মিলে আমাদের স্বপ্নকে ধ্বংস করে দিছিস।সালা এত বুড়া হইয়ে গেছিস এখনো ম্যাচিউরিটি আসে নাই। কাহিনী শেখাও।পাতানো ম্যাচ খেলে ১৬ কোটি মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষা কে ধুলোয় মিশে দিছ। এই বয়সে ম্যাচুরিটি না আসলে ভাই পদত্যাগ কর।

২৯) বাংলাদেশ হারছে তাতে অাফসোস কিসের পাগোল? আরে ভাই তাসকিনটা তো মাত্র হাটতে শিখলো, সৌম্য একটু দৌড়ায়, সাব্বির অার রিয়াদ মাকে ছাড়াই স্কুলে যেতে শুরু করেছে সবে। সাকিব, মুশফিক কি অার করবে দুই জন। অার মুস্তাফিজ, রনি তো মাত্র এখনো ফিডার ছাড়েনি। তবে জানিস...!! মুস্তফিজ খুব তেজী হবে রে। এই টুকু বাচ্চা কি যে সাহস নিয়ে শিকারির উপর ঝাপিয়ে পরে, সে অার বলবো কি? সব কটা বাঘের বাচ্চাকে বড় হতে দে। তারপর সামনে দাড়িয়ে শুধু ইশারা করবি,(মাশরাফি) অার দেখবি শিকার কিভাবে ছিড়ে খায়। অনেক রাত হলো, অাহত বাচ্চাদের নিয়ে ঘুমিয়ে পর। স্বপ্ন দেখ নতুন অার একটা ভোরের। 

৩০) ক্রিকেট খেলা স্রিস্টি হবার পর তেকে এরকম ১০০% ভালো পজিশনে তেকেও কুনো দল হেরেছে..........?

৩১) এক রানে কি কেউ হারে?....উত্তর দেন.....Answer me......

৩২) আমি cricket খুবই. ভালো বাশি ..আমি New Zealand থাকি. বাংলদেশর সাথে সময়. এখানে 7 ঘন্টা ডিফারেন্ট তাই বাংলদেশর টাইম ওনুজাই আমাদের এখানে রাত 3 টায় খেলা শুরু হয়েছে..রাত 3 টায় উঠে খেলা দেখে ..সকাল 7 টায় খেলা শেষ করে আবার. আমার ডিউটিতে গেছি ...কি আর বলবো

৩৩) কিন্তু একটা কথা হয়তো জানস। Bangladesh score => 32+29+20+22+29+9 = 141 run then 141+5 extra =146 run. তাহলে আমরা 145 run নিয়ে 1run e কেনো হারসি?

৩৪) আমাদের বিসিবি মেরুদণ্ডহীন, বাংলাদেশের সব্বাইকে ব্যান করে দিলেও তারা প্রতিবেশীর জন্য ফুল আর ইলিশ মাছ নিয়ে দাড়িয়ে থাকবে।

৩৫) ভিক্ষা দিলাম এইবার এক রান ।ওদের বুকে পাড়া দিয়া ধরছিলেন । দম যাওয়ার আগে পা ফশকায়া গেছে । 

৩৬)  ১২ বছর যাবত আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন আর কিভাবে ৩ বলে ২ রান নিতে হয় সেটা জানেন না। তদের কে বলেছে জাতীয় দলে খেলতে। ওদের প্লেয়ার বাউয়ান্ডারি কাছে ছিল ব্যাট দিয়ে খুচা দিলেই দুই রান হয়।

৩৭) পারলে অবসর নেন।দলে টাইগার দরকার ছাগল না।

৩৮) ধনী যখন... - চোর বাটপারের মতন একটা বলের পর হাজার হাজার মিনিট সময় নিয়া বলার এর কাছে গিয়ে কথায়... - ফিল্ডার একটা এখানে, আরেকটা ওখানে নিয়া একের পর এক কথা বইলা, ব্যাটস ম্যানের মোটিভ চেঞ্জ করে... ...তখন কি বাংলাদেশ দলের কেউ ছিলো না; যে এক দৌড়ে গিয়ে বলে আসবে, দুই বলে দুইটা রান নিয়ে জিতে আয়। বাউন্ডারি দরকার নাই। 

৩৯) আমার সবচেয়ে প্রিয় জিনিস আপনারা কালকে কেড়ে নিছেন ভাই ''ঘুম''

৪০) আপনি আউট হয়েছেন ঠিক আছে ,কিন্তু যাওয়ার সময় রিয়াদ ভাইকে তো বলে যেতে পারতেন যেন ,একই ভুল তিনি না করেন।

৪১) তোর ২ টা ভালো শটেই জিতার সম্ভাবনা তৈরী হয়েছিল, অাবার তোর ১ টা বাজে শটের কারনেই অামরা হেরে গেলাম...
অামি তোকে বলতেছিলাম, অাগে একটা সিঙ্গেল নিয়ে ম্যাচ ড্র কর।
তুই বড় শট খেলে বাহাদুরি দেখাইতে গেছিস...
হাতে যদি কমপক্ষে ৫/৬ টা বল থাকতো, তবে তোর ওই বাজে শট টা ঠিক ছিল...

বি.পি.এল এ মাঠে থেকে ২ ম্যাচ ১/২ রানের জন্য হারলি...
কারন, তুই ১ রান নিতে গিয়ে বলার কে স্ট্রাইক দিয়ে দিলি,১ দিন মেনডিস কে, অারেক দিন শহীদ কে...
তারপর নন স্ট্রাইকে দাড়িয়ে দাড়িয়ে দলের হার দেখলি...
সেই থেকে তোর ব্যর্থতা শুরু...

তবুও সাপোর্ট দিয়ে গেছি। জানি, তুই ই অামাদের মিঃ ডিপেন্ডেবল।

অাজ পারতি এত দিনের ব্যর্থতার ক্ষতে প্রলেপ লাগিয়ে দিতে।
কিন্তু, উল্টু ক্ষতটা বাড়িয়ে দিলি...

পাকিস্তান কে হোয়াইট ওয়াশ করেছি ঠিকই,এই এশিয়া কাপেও হারিয়েছি...

তবুও ওই ২ রানের জন্য হৃদয়ে যে ক্ষতটা হয়েছে, মনে হলেই সেখানটায় ব্যথা করে রে...

অাজ যে অাশার বাণী শুনিয়েছিস, মানছি সেটা...
তবে এই যে ১ রানের ক্ষত, এটা কিভাবে শুকাবে বলতে পারিস.? অাদৌ কি শুকাবে.???

এই যে এত কথা লিখছি, চোখ থেকে টলটল করো অশ্রূ ঝরছে...

কথাগুলো হয়তো তুই পড়বি না...

তোর এডমিনও পড়বে কিনা জানি না, তবুও লিখলাম।

ফিরে অাগের চেয়ে অারও ভালো ফর্ম নিয়ে...

মনে রাখিস,

ক্রিকেট শুধু ৪,৬ এর খেলা না। টি-২০ ক্রিকেট মানেও শুধু ৪,৬ নয়...
এটা বুদ্ধিরও খেলা...

শুধু বাহুর,অার কব্জির জোর নয়,মনের জোর দিয়েও ক্রিকেট খেলতে হয়...

এভাবে অার কাঁদাইস না অামাদের...

সাথে ছিলাম, সাথে অাছি.....

কথা দিলাম, সাথে থাকবো, অার বলবো.... " সাবাস্ বাংলাদেশ "

৪২) হ্যা, এটা ঠিক, কালকে আপনাদের (+মাহমুদুল্লাহ)আউট হবার ধরনে কষ্ট পেয়েছি, কিন্তু তারপরেও আমরা বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য আপনাদের অবদান ভুলে যাচ্ছিনা। বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য ভালাবাসাটাও একবিন্দু কমেনি। এটাও অস্বীকার করিনা যে, স্মরণ কালের মধ্যে এত উত্তেজনার ক্রিকেট আর দেখিনি, এ জন্যেও আপনাদের একটা ধন্যবাদ নিশ্চয়ই পাওনা। আমাদের ক্রিকেট এখন পরাশক্তির কাতারে, এ জন্যেও আপনাদেরইধন্যবাদ......। আর হ্যা, প্লিজ এ রকম খেলা আর খেলিয়েন না রে ভাই, আর একটু হলে জানটাই বেরিয়ে যেত ......।

৪৩) গতকালের ম্যাচের ফলাফল মেনে নেওয়ার মত নয়। এতো ভালো খেলার পরও যদি আমরা সাফল্য না পাই তাহলে বলার কিছুই নাই, শুধু এটুকই বলল বাঙ্গালী cricketer দের Hidden কোন problem আছে..... তা না হলো এত closed একটা ম্যাচ আমরা হারতাম না।।

৪৪) ভাই তোমাদের খেলা দেখার জন্য বউ এর সাথে ভেজাল করতে হয়।তবুও তোমাদের খেলা দেখি।ভারতের সাথে হারটা যে এত কষ্টদায়ক ছিল তা ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়।তোমরা যদি আর একটু মনোযোগ দিয়ে খেল তবে আমরা প্রত্যেক ম্যাচ জিতব।তোমাদের সাথে ছিলাম,আছি,এবং থাকব।best of luck next match.

৪৫) রবার্ট ব্রুস অনেক বার যুদ্বে হারছে কিন্তুু পরে ইংলেন্ডের রাজা হইছে, so bangladesh ও পারবে

৪৬) No we can do nothing. its proved again. আসলে সৃষ্টি কর্তা কে এভয়েড করে কোন কিছুই যে সম্ভব না গত কাল কের ম্যাচটাই তার একটা বর প্রমান। অনেকেই অনেক পোস্ট দিসেন দেক্তাসি, আম্পআয়ার, ইন্ডিয়া, তাস্কিন আর মেলা কিছু............। কিন্তু আমার ক্রিকেত অভিজ্ঞতা বলে যে গত কাল বাংলাদেশের খেলয়ার দের মাথা থেকে কিছু জিনিশ গায়েব হইয়া গেসিল। জিনিশ গুল হলঃ ১। ক্রিকেট সেন্স, ২। ক্রিকেট ট্রি ক্স, ৩। এত বসরের অভিজ্ঞতা। তবে এই গায়েব ডা করল কে ডা?

৪৭) নব্যপ্রস্তরযুগ থেকে দলে খেলেতেছেন, আর কত শিক্ষা গ্রহণ করবেন?
৩ বলে ২ রানের খেলাতে করলেন জিরু রান আর দিয়া দিলেন ২ উইকেট।
এবার নিজের অবস্থান বিবেচনা করেন, দল থেকে সেচ্ছায় পদত্যাগ করা উচিত আপানার আর মাহমুদুল্লার।
Actually বাংলাদেশর যেন জেতার অভ্যাসটাই নাই, কিনারাতে giye হারাটাই নিয়তি হয়ে দাড়িয়েছে।।

৪৮) হারেন সমাস্যা কি! কম ম্যাচ তো হারি নাই কিন্তু এভাবে হারলে মানা যায় না। একজন ভূল করতে পারে কিন্তু দুই জন! আসলেই এটা মানা যায় না আর শুভাগত! উনি তো বল এ দেখে না গা দিয়া ঠেকালেও ম্যাচ টা ড্র হইত। প্রফেশনাল হতে হবে ভাই।

৪৯) এখন থেকে আফগানিস্তান এর খেলা দেখবো। আর তাদের কেই সাপোর্ট করবো। বাংলাদেশের কালকের খেলা দেখে সারা রাত এর ঘুমটা nosto হইছে। জীবনে আর না জিতুক কালকের ম্যাচটা জিতলে বাংলাদেশের কাছে আর চাওয়া ছিলো না।।। বাংলাদেশকে দিয়ে আর কোনো আশা নাই। ৬ পারে না মারতে, ৩ বলে ২ রান লাগে ঐ সময় মুুশফিক ৬ মারতে যায় সাহস কত? single কেমনে নিতে হয় india কাছ থেকে শিখে নিও। যত সব ,,,,,, শুধু বিসিবি তাদের পিছনে টাকা খরচ করে।

৫০) ৩ বলে দরকার ২ রান।ক্রিজে আছেন বাংলাদেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য,অভিজ্ঞ,শীতল পেশাদারি ক্রিকেটার মুশি আর অন্য প্রান্তে আছেন সাইলেন্ট কিলার, ঠান্ডা মাথার খেলোয়াড়, চাপের বাপ মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।কোনো বাউন্ডারির দরকার নাই।শুধু ১ টা সিঙ্গেল হলেই ম্যাচ টাই অথচ সেই ৩ বলে কিনা ০ রানে ৩ উইকেট।মানতে পারছিনা.....পারছিনা...পারছিনা....সব কিছু "Sorry " বললেই মাফ করা যায় নারে ভাই....খুব কস্ট পাইছি।ইচ্ছা করছে ক্রিকেট খেলা দেখাই ছেড়ে দেই.....কিন্তূ কি করার হারলেও বাংলাদেশ, জিতলেও বাংলাদেশ।

৫১) ভাই এভাবে আপনারা আমাদের কেন কাদালেন..যদি single niten তাহলে কি খুব ক্ষতি হত!!! কিন্তু মোস্তাফিজ ত পারত একটু ফাষ্ট হতে.ধনির বাচ্চা এত দুর হতে এসে stamping krlo এটা মানতে পারছি না ভাই???

৫২) মায়ের গর্ভথেকে কেউ শিখে আশেনা প্রকৃতির নিয়োম অনুশরে ধীরে ধীরে শিখে, তোমার এতো দিনের অবিগ্যতা থেকে কি শিখলে,? নির্বুদ্বিতার পরিচয় দিলে, যদিও দুঃখ পেয়েছি তার পরও হতাশ হইনি, আশারাখি ভালো কিছু পাবো+হবে সামনে,

৫৩) তুমি কড়জোড়ে দেশবাসির কাছে মাফ চাও।কারন তুমি world class stupid.নিজের ভায়রা ভাই কে ও হিরো হতে দিলানা।তুমি single নিলে কি ম্যাচ জিতাইছো সবাই বলতো না? তুমি বরং অবসরে যাও।এমন পিচিচ কবুতর আমাদের দরকার নাই।১৬ কোটি বাংগালি তোমাকে এখন ভিলেন মনে করে।

৫৪) পুরা game টা আমাদের হাতেই ছিল। last 3 balls 2 runs nedded. এই সময়ে ছয় মারতে যাওয়ার কনো দরকার ছিলনা। উচিত ছিল একটা single বের করে ম্যাচ টা ড্রো করা। ok no problem এইখান থেকে sikkha নিয়ে এগিয়ে যাও bangladesh....

৫৫) দোয়া করি যেন সারা জীবন এরকম টাই ঘটে!!!এক রাতে ঘুমাতে পারি নাই"!আর ফিউচারে ঘুম বাদ দেয়ার ভুল করব না।this my decision

৫৬) তবে সিনিয়র খেলোয়াড় কে সব সময় দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হয়,
সময় বুঝে,
দু জনই সিনিয়র প্লেয়ার,
কালকের এই সট দুটো খেলা মোটেই উচিৎ হয়নি,
কারণ সিংগেল রান নিলেই ম্যাচ জিতে যায়, এখানে সট কেন খেলবো???
আর দু ভায়রাই একই সট খেলা, বুঝলাম না,
নাকি দুই ভায়রা মিলে আমেরিকা তে কটেজ বানানোর লোভ হয়েছিল,
?????????????
লোভ লালসা একটা ভাল প্লেয়ার ধংস করে দেয়,
কাল ১৬ কোটি বাংগালির ৩২ কোটি চোখের অশ্রুকণায় বন্যা বয়ে গেছে
এটাও বুঝতে হবে,
আমেরিকার কটেজের সুখের চেয়ে বাংলার কুড়ে ঘরের সুখ বেশী তৃপ্তি দায়ক@

৫৭) ৩ বলে ২ রান নেওয়া কি অসম্ভব ছিল?তোমাদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন, কি করেছ তোমরা।জাতিকে একটা তামাসায় পরিনত করেছ।

৫৮) প্রথম 3বলে 9 পরের 3 বলে 3 out।ঐ সময় তো 6 মারার সময় না ওটা সিংগেল বের করার সময় ।এই simple জিনিসটা তোমাদের দুই ভায়রার মনে কি একবার ও আসে নাই?তোমাদের দুজন কে শ্বশুর বাড়ি থেকে নির্বাসিত করা হোক।

৫৮) বাংলাদেশ হারছে তাতে অাফসোস কিসের পাগোল? আরে ভাই তাসকিনটা তো মাত্র হাটতে শিখলো, সৌম্য একটু দৌড়ায়, সাব্বির অার রিয়াদ মাকে ছাড়াই স্কুলে যেতে শুরু করেছে সবে। সাকিব, মুশফিক কি অার করবে দুই জন। অার মুস্তাফিজ, রনি তো মাত্র এখনো ফিডার ছাড়েনি। তবে জানিস...!! মুস্তফিজ খুব তেজী হবে রে। এই টুকু বাচ্চা কি যে সাহস নিয়ে শিকারির উপর ঝাপিয়ে পরে, সে অার বলবো কি? সব কটা বাঘের বাচ্চাকে বড় হতে দে। তারপর সামনে দাড়িয়ে শুধু ইশারা করবি,(মাশরাফি) অার দেখবি শিকার কিভাবে ছিড়ে খায়। অনেক রাত হলো, অাহত বাচ্চাদের নিয়ে ঘুমিয়ে পর। স্বপ্ন দেখ নতুন অার একটা ভোরের।

৫৯) প্রশিক্ষণ, প্রাকটিচ, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ তো হলো অনেক, এখন আমাদের স্বনামধণ্য ক্রিকেটারদের শুধু ক্রিকেটীয় গণিত শেখানো উচিত (বিশেষ করে মুশফিক ও মাহমুদুল্লাহকে) কখন ১, কখন ২ ,কখন ৪, কখন ৬ নিতে হবে ....কখন ম্যাচ টাই করে উইনিং রানের জন্য খেলতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি ।

৬০) আমি কি বিশ্বকাপ চেয়ে ছিলাম।
উওর ঃনা
আমরা কি বলেছিলাম ২ বলে তিন দরকার ছক্কা মারতে
উওর ঃ না।
তাহলে কেন এমন অসহায় হতে হলো?
আমাদের আবেগ নিয়ে খেলার কোন অধীকার আছে কি?
উওরঃনা।
আমরা চাই নি কাপ চেয়ে ছিলাম শুধুমাএ একটা জয় আর এটা হোক ভারতের বিপক্ষে,হয়েও কেন হলো না, তা আমরা সবাই জানি, মাএ তোমাদের খামখেয়ালি সামান্য ভূল পুরো জাতিকে শুধু কাঁদালোই না অপমান, অপদস্ত পরোনের লুঙ্গী টাও খুলে ফেলছো।।।।
কিন্তু কেন?
আর কত
কাঁদবো?
তোমাদের সকল জয়কে ম্নাল করে দিয়েছে একটি মাএ পরাজয়।।।।
#তোমরা এখন আর অবুঝ বালক না, সাবালক হয়ে গেছো, কি করে মনকে বুঝায় বলো,,
তোমাদের পিছনে মাসে যা খরচ হয় তাদিয়ে বাংলাদের অর্ধেক মানুষ খেয়ে সুখে জীবন যাপন করবে,
এছাড়া বলার আছে অনেক কিছু।।।।।।
#এতকিছুর পরও ভালোবাসি বাংলাদেশকে ভালোবাসি তোমাদের, আছি থাকবো, পিলিজ
এমন করে আর কাঁদতে চাই না আর পারবোও না,,,,
পিলিজ ডু সামথিং ফর আস্,,,,,,,,
উই know you's can...... Best of luck....
--

** পুরো কমেন্টের পাঁচ শতাংশ'ও পড়া হয়ে ওঠে নি। নিশ্চয়ই অনেক মণি-মুক্তো বাকি থেকে গেল। ফ্রান্সিসের নেতৃত্বে ভাইকিংরা আসছে সেগুলো তুলতে।

Thursday, February 11, 2016

মাথাও বাইরে, লেজ’ও বাইরে

কোন বাড়ি থাকে না সবাই গান গাইতে ভালোবাসে। তারপর দিদিগিরিতে গিয়ে বলে আমার বাড়িতে ছোটবেলা থেকেই গানের পরিবেশ রয়েছে।

আমাদের বাড়িতেও সেরকম একটা জিনিস রয়েছে।

আমাদের বাড়িতে সবাই কথা বলতে ভালোবাসে। কেউ কেউ আবার সাধারণ কথাই মনোগ্রাহী করে বলতে পারেন। আমার কাকু সেরকম। কাকু পিসীকে খাওয়া-দাওয়ার বিবরণ দিচ্ছেন। বাড়িতেই  খাওয়াদাওয়া হয়েছে। পিসী দিল্লি-নিবাসী, এসে উঠতে পারেন নি।

বিরতি’গুলো খুব ইম্পর্ট্যান্ট।  ঠিক ঠিক জায়গায় থেমে থেমে পড়তে হবে।
--

বুঝলি, প্রথমে হচ্ছে বড়ি দিয়ে লাল শাক ... তার পরে ... হচ্ছে ... শুক্তো ... ফ্যান্টাস্টিক শুক্তো। শুক্তো দিয়েই পেট ভরে গেছে। 
তার পরে ... হচ্ছে ... ডাল ... মুগের ডাল, আর ঝুরি ঝুরি আলু ভাজা ... বাদাম দেওয়া তার মধ্যে ... ভাজা।
তিন নম্বর হচ্ছে ... বিশাল একটা কাতলা মাছ ... মানে কাতলা মাছটা যে দিয়েছে, আমার প্লেটের বাইরে পড়ছিল মাছটা।
এবং প্র-চু-র তেল, পুরোটা খেতে পারলাম না। কেননা তাঁর পরবর্তী যা যা ছিল দেখে নিয়েছিলাম না, তাই ওটার ওপরে কন্সেন্ট্রেট করলাম না।

তারপরে হছে পাবদা মাছ। তার মাথাও বাইরে, লেজ’ও বাইরে।

তারপরে এলো গলদা চিংড়ির মালাইকারি। এতগুলো খাওয়ার পর ... সেই জহরদা একটা গল্প করত না ... ওদের কাজের একটা মাসি ছিল, তার বাচ্চাটা ... খেতে দিলে কিছুক্ষণ পরেই কাঁদতে থাকত। তো সবাই বলছে কাঁদে কেন ও? বলে ওর পেট ভরে গেছে ... কিন্তু খাবার রয়ে গেছে, সেইজন্য কাঁদছে ... খেতে পারছে না।
তারপরে হল চাটনি, পাঁপড়, দই। আর দইটা তো ফ্যান্টাস্টিক, দইটা খেয়ে কেরম একটা ইয়ে হল ... মানে সুপার ফ্যান্টাস্টিক দই।

তারপরে হচ্ছে মিষ্টি, তারপরে পান উইথ দাঁত খোঁচানো কাঠি।
--


টেকনোলজি সব সব সময় খারাপ নয়। ওপরের কথোপকথন হোয়াটসঅ্যাপে শুনে রাঙ্গাদাদু (যিনি কিনা বয়েস জনিত কারণে যথেষ্ট খেতে পারলেন না) স্বগতোক্তি করলেন, এত কিছু একবারে খেতে গেলে বুকের পাটা থাকতে হয়।

Tuesday, February 9, 2016

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে

সম্বিত, সাত পাতা লেখার কথা ছিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে নোবেল প্রাইজ গ্রহণ করেন। কই?
সম্বিত চুপ।

তিন পাতার পরে তুমি একটা কাকের ছবি এঁকেছ, নিচে লিখেছ ... কি লিখেছ এটা?
স্যার ... অমল কুমার চৌধুরী।

আঃ, আমার নাম জানতে চাই নি, কি লিখেছ সেটা বল?
স্যার, আপনার নাম'ই লিখেছি।

কেন?
না লিখলে আপনি রেগে যাবেন। আপনার মুখ মনে পড়ছিল, সেটা আঁকতে পারিনি। কাকের ছবি তো সোজা। আর নিচে আপনার নাম।

আর যেটা লেখার কথা ছিল, সেটা লেখো নি?
স্যার, ইচ্ছে করেছিল না। বারান্দায় একটা কাক ডাকছিল। কা কা কা ... ডেকেই যাচ্ছিল। আমি কাকটাকে দেখছিলাম।

হাতের লেখাটা মন দিয়ে অভ্যেস করলে আমার নামটা তোমায় পড়ে দিতে হত না।
--

সম্বিত এখন সকালে একটা কাঁথা স্টিচের ডায়েরী নিয়ে বসে এখন। সাথে সকালের চা। অফিস যাওয়ার আগে মিনিট পনেরো। কর্পোরেট অফিস, বস্টনে। বছর দুয়েক হল কান্ট্রি ম্যানেজার হয়েছে। কদিন বাদে হয়তো ভি পি।

কিছু লেখে - যা মনে পড়ে তাই। কিছু মনে না পড়লে, লালরঙা হ-য-ব-র-ল থেকে টোকে।

হাতের লেখা অভ্যেস করে সম্বিত।

বস্টনে কাক নেই। লেখা শেষ হলে আবার অমল কুমার চৌধুরী'র মুখটা মনে পড়ে।

Monday, January 25, 2016

রজনী এবং মিঃ ভূষণ

-মিঃ ভূষণ, আপনি কি এক্সাইটেড?
-অফ কোর্স আই অ্যাম, সিলি কোশ্চেন।

-হুম্‌, আপনার কি মনে হয় রজনী আপনার জন্য প্রতীক্ষা করছিলেন?
-রজনী কারোর জন্য অপেক্ষা করে না, সিলি এগেন।

-রজনী কি ফিনিশড্‌?
-রজনী এখনও বাকি, আরও কিছু দিতে বাকি।

-আপনার ফার্স্ট নামটা কি আমাদের পাঠকরা জানতে পারেন, মিঃ ভূষণ?
-ফার্স্ট নাম না জেনে ইন্টারভিউ নিতে এসেছেন, আউট, গেট আউট।

-আহা বলুন-ই না।
-পদ্ম।

- আপনার কী মনে হয় রজনীও আপনার জন্য লবি করেছেন? 
- নো, নট অ্যাট অল। রজনী can't…

( শেষ লাইন-দুটো বাবার লেখা )