Sunday, June 15, 2014

ঐতিহাসিক বিপ্লব

আমার এক পরিচিত দিদি, প্রায় আমার মায়ের বয়েসী। এ দেশে থাকলে নিশ্চয়ই কাকিমা বলতাম। কিন্তু প্রবাসের স্টাইলে তিনি ছিলেন দিদি। এখনও দিদিই আছেন। আমার শুভাকাঙ্খী। তো তিনি একবার আমায় বলেছিলেন, নিজের জীবনের গল্প নিয়ে কম লিখিস অনির্বাণ। প্রকৃত ফিকশন লিখতে পারাটাই আসল পাখির চোখ। কথাটা আমার বেশ মনে ধরেছিল। কিন্তু সেই অভাগা আমি, মাংসাশী আমি, পাখির চোখে নজর স্থির রাখতে পারি নি, ফিরে এসেছি পাখির শরীরে। আমার নিজের গল্পে।


আসলে ঠিক নিজের গল্পে নয়, আমার চারপাশের মানুষের গল্পে। যতই নিজেকে মহাপন্ডিত ভাবি না কেন, চোখ বুজে দিবাস্বপ্নে মারাকাটারি প্লট বুনি না কেন, ফিরে ফিরে আসে মহামতি মার্ক টোয়েনের ভাষ্য - ট্রুথ হল ট্রুথ, ফিকশন কে সে যে কোন দিন দশ গোল দেবে। দেবেই দেবে। ইন ফ্যাক্ট, গল্পকারের কাছে ট্রুথ হল টুথের মত। যতক্ষণ আছে, ঘটছে, মর্ম বোঝা যায় না, হু হু করে লেখা বেরিয়ে আসে। আর নিজেকে অহেতুক কেউ-কেটা মনে হয়।

বাই দ্য ওয়ে, 'মহামতি' কথাটা লিখে বেজায় ফূর্তি হল। সেই ছোটবেলায় ঝড়ের বেগে ইতিহাসের পাতা ভরিয়ে যেতাম, পাতায় পাতায় সায়েবদের উদ্ধৃতি - এই যেমন মনে পড়ছে, ভিনসেন্ট স্মিথ নামে এক ভদ্রলোক ছিলেন।
সত্যিই ছিলেন

তাঁর নামে যে কতশত গুল আমি ইতিহাসের পরীক্ষার পাতায় লিখেছি, ভাবলে লজ্জায় মাথা নুইয়ে আসে। Unity in diversity - এ ছাড়া আর বাকি যা যা ইংরিজি কোটেশন আমি ওনার নামে চালিয়েছি, সেই সব নিজ-মস্তিস্ক নিঃসৃত দেবভাষ্য আজ আর আমার মনে নেই। কিন্তু সেগুলো অনেকটা সৌরভ গাঙ্গুলি নিয়ে আনন্দবাজারের পাতায় গৌতম ভটচাজের লেখার মত হত।
অথবা তৎকালীন বর্তমান পত্রিকার এফেক্ট পড়ে থাকতে পারে।
এই যেমন ধরুন ফার্স্ট পেজে হেডলাইন - জ্যোতিবাবু বাথরুমে পড়ে গেলেন। স্লাইট জ্বালাময়ী ভাষা - তথ্য নেই, কিন্তু দাপট আছে। তবে হ্যাঁ জীবনের অধিকাংশ অভিজ্ঞতার মত'ই ইতিহাসের খাতাতেও আমি বিপ্লব আনতে পারি নি।

পেরেছিল আমাদের বিপ্লব। আমার এক সহপাঠী। সার্থকনামা - তার নাম ছিল বিপ্লব।

প্রিয় পাঠক ও প্রিয়তর পাঠিকা, আপনারা যদি মাধ্যমিক বোর্ডে বাংলা ভাষায়  পড়াশোনা করে না থাকেন, তাহলে হয়তো এ রসে বঞ্চিত হবেন। তাও আমার সাধ্যমত চেষ্টা করছি, বিপ্লবের কাহিনী শোনাতে।
ক্লাস সেভেন। ডি কে এম এসেছেন, হাতে ইতিহাসের খাতা। এক এক করে নাম পড়বেন, ছাত্র উঠে দাঁড়াবে। ছাত্রের বুকের ভিতরের গুম্‌ গুম্‌ আওয়াজ সারা ক্লাস শুনবে। পাকা মঞ্চাভিনেতার মত স্যার কিছুটা সময় নেবেন। ছাত্রদের উত্তেজনা কিঞ্চিত প্রশমিত হলে, স্যার সেই অমোঘ নাম্বার'টি ঘোষণা করবেন। কিন্তু সেই প্রথম এই নিয়মের ব্যত্যয় ঘটল।
দাঁড়াও তোমাদের সকলের নাম্বার পরে বলছি, প্রথমে বিপ্লবের খাতা থেকে কিছু পড়ে শোনাই।

পাঠক, প্লিজ আবহটা একটু বোঝার চেষ্টা করুন। মফঃস্বলের স্কুল। আসে পাশে তাকালে বিশাল বড়ো বড়ো জানালা দিয়ে শুধু সবুজ আর সবুজ। এক একটা সেকশনের জানলা দিয়ে এক এক রকম গাছ দেখে যায়। আমাদের'টা দিয়ে দেখা যেত অর্জুন গাছ। কি চমৎকার সবুজ লকলকে সব ছবি। ওপরে ধুলোর পরত নেই। উঁচু উঁচু ছাদ।
অবশ্য স্মৃতি সবেতেই বিশালত্ব আরোপ করে থাকে।

ব্যাক, ব্যাক অনির্বান।
জ্ঞানদান বন্ধ করে গপ্পে ব্যাক করো - পাঠক এখুনি পালাল বলে।
স্যার ইতিহাসের খাতার বান্ডিল খুলে ফেলেছেন। রোল নাম্বার দিয়ে পর পর সাজানো। সাদা রঙের খাতা, রুলটানা নয়। পুরো সাদা। সামনে রাবারের স্ট্যাম্পে নীল কালিতে নাম, রোল নাম্বার, ডেট লেখার জায়গা। ইতিহাসের খাতা তো, সবাই তেড়ে এক্সট্রা পেজ নিয়েছে। লাল নীল সুতো দিয়ে বাঁধা।

রোল নাম্বার মিলিয়ে বিপ্লবের খাতা বের করা হল। ইতিহাসের কোশ্চেনের ফরম্যাট খুব সোজা ছিল। প্রথমে দশ'টা এক নম্বরের প্রশ্ন, তার পরে তিন নম্বরের পাঁচটা টীকা। কত হল? হ্যাঁ, পঁচিশ। তারপরে ছয়টা দশ নম্বরী, পঁচাশি। ফলোড বাই একটি পনেরো নম্বরের বোমা। ব্যস্‌ একশো।

ডি কে এম মুখ খুললেন। আচ্ছা তাহলে এক নম্বরের প্রশ্ন দিয়েই শুরু করা যাক। প্রশ্ন ছিল, বাবরের বাবার নাম কি? হুম্‌ম্‌ ... শোনো সবাই, বিপ্লব লিখেছে আকবর।
হুঁ, বাবরের বাবার নাম আকবর।
ক্লাসে মৃদু গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এই ভুলের জন্য বিপ্লবের পিঠে বেত পড়বে কি পড়বে না, সেটা নিয়ে স্পষ্টতই ক্লাস বিভক্ত।

বিপ্লব, তুমি কি আমার সাথে মশকরা কর নাকি? সারা ক্লাস শ্বাস চেপে রেখেছে, যেন হিরো কাপের ফাইনাল।  সচিনের হাতে বল তুলে দিয়েছেন আজহার।
স্যার, ওটা অনেস্ট মিস্টেক। আমি সত্যিই ভুলে গেছিলাম।
ডি কে এম কি একটা ভেবে বেতের দিকে হাত বাড়িয়েও পিছিয়ে নিলেন।  হুম্‌ম্‌ ... বাবরের বাবার নাম আকবর ... আকবরের বর আর বাবরের বর মিলিয়ে তুমি একটি আস্ত বর্বর।
বেনিফিট অফ ডাউটে রান-আউটের কঠিন ডিসিশন ব্যাট্‌সম্যানের দিকে। উইকেট পড়ে নি। 

শোনো ছাত্ররা, বিপ্লব টীকা লিখেছে - টীকার বিষয় পলাশীর যুদ্ধ। বিপ্লব কি লিখেছে শোনো সবাই - পলাশীর যুদ্ধ দু'পক্ষের মধ্যে হয়েছিল। এক পক্ষ হেরেছিল, অন্য পক্ষ জিতেছিল। যে পক্ষ জিতেছিল তাদের পক্ষে ছিল কুড়ি হাজার তিনশো বাইশ'টি পদাতিক সৈন্য। ঘোড়া তার থেকে কিছু কম ছিল। হাতি আরো কম। শোনা যায়, যুদ্ধ চলাকালীন বাণে বাণে আকাশ ছেয়ে গেছিল। সূর্য ঢেকে গেছিল। অন্ধকারে ভালো করে আকাশ দেখা যাচ্ছিল না। যে পক্ষ হেরেছিল তারা পলাশীর মাঠে মরে পড়েছিল। যে পক্ষ জিতেছিল, তারা প্রচুর আনন্দ করতে করতে পলাশীর মাঠ ত্যাগ করেছিল।

ডি কে এম - টেবিলের ওপরে বেতের মোটা লাঠিটা নাচাতে নাচাতে বিপ্লবের উদ্দেশ্যে হুঙ্কার ছাড়লেন - এই তথ্য গুলো কোথা থেকে পেলে বাবা, বিপ্লব? আমি ক্লাসে পড়িয়েছি বুঝি?
ক্লাসের ভিতরে  হঠাৎ উইম্বল্ডন ফাইনাল। একবার বিপ্লব, একবার ডি কে এম। আবার বিপ্লব, আবার ডি কে এম।

অকুতোভয় বিপ্লব উঠে দাঁড়াল। না তো স্যার, এগুলো আপনি ক্লাসে পড়ান নি। আমি কাকুর সাথে কলকাতায় গিয়ে ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে পড়েছি।
একসাথে টেনিস আর ক্রিকেট - মার্ভ হিউজের বিষাক্ত বাউন্সারে সচিনের সপাটে হুক।

তাই বলে, কুড়ি হাজার তিনশো বাইশ টি পদাতিক সৈন্য? - হ্যাঁ স্যার, আমাদের সিলেবাসের বইতে ব্যাপারটা এতটা ডিটেলে লেখা নেই, তাই আমি উঁচু ক্লাসের বই জোগাড় করে পড়েছি। আপনি বলুন আমি কিছু ভুল লিখেছি?
যারা হেরে গেছিল তারা পলাশীর মাঠে মরে পড়েছিল না?
আপনি বলুন স্যার, তখন কি অ্যাম্বুলেন্স ছিল ছিল যে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাবে?

উত্থিত বেত আবার টেবিলে ফেরত চলে এল। যে সার্ভিস এস হওয়ার কথা ছিল, রেফারির সূক্ষ্ম লাইন কলে, সেটা ফল্ট হয়ে গেল।

কিন্তু ডি এম কে পাকা খেলোয়াড়, ডবল ফল্ট হতে দিলেন না।

আচ্ছা আমরা তাহলে একটা বড় প্রশ্নের উত্তর শুনি। এই যে কোশ্চেন ছিল, কি ছিল যেন ... হ্যাঁ - বুদ্ধদেবের জীবনী লেখ। শোনো সবাই, বিপ্লব কি লিখেছে।
এরপর যেটা শুরু হল সেটা আমার জীবনে শোনা অন্যতম সেরা ক্লাসিক।

বুদ্ধদেবের বাবা রাজা ছিলেন। বুদ্ধদেব'ও একসময় রাজা হলেন। ডি কে এম পড়ে চলেছেন। বুদ্ধদেব রাজা হওয়ার পরে বুদ্ধদেবের ছেলেকে রাজপুত্র ঘোষণা করা হল।
বুদ্ধদেব শান্তিপ্রিয় মানুষ ছিলেন, যুদ্ধ পছন্দ করতেন না।
মানুষকে যুদ্ধ করতে বারণ করতেন। কেউ কেউ তার কথা শুনত, কেউ কেউ শুনত না।
যারা শুনত না তাদেরকেও কিন্তু বুদ্ধদেব ঘৃণা করতেন না।

পাঠক, সময়কালটা মনে রাখবেন। এ কিন্তু কোন পলিটিক্যাল স্যাটায়ার নয়। পশ্চিমবঙ্গের বুকে তখনো বুদ্ধরাজ আসে নি। এ যখনকার গপ্প তখন পশ্চিমবঙ্গের রাজপুত্রের নাম চন্দন বসু।

আঃ ... কি হচ্ছে অনির্বাণ ...
ওই খিদ্দার গলা শোনা যায় - ফোকাস, অনির্বাণ, ফোকাস।

ডি কে এম ফুঁসতে ফুঁসতে পড়ে চলেছেন - বুদ্ধদেবের হবি ছিল তপস্যা করা। বেদীওলা গাছ উনি তপস্যাস্থল হিসেবে পছন্দ করতেন।
উনি গাছের গুঁড়ির দিকে বসতেন, ওনাকে ঘিরে ভক্তরা বেদীতে বসত।

ডি কে এমের মুখ দিয়ে ফেনা বেরিয়ে যাচ্ছে প্রায়।
পড়ছেন আর বলছেন ... এগুলো কি, এগুলো কি? বিপ্লব নিশ্চল।

প্রায় বুদ্ধদেবের পিছনের গাছের গুঁড়ির মতন নিশ্চল।

আপনি বলুন স্যার, কোন কথাটা আমি ভুল লিখেছি? বুদ্ধদেবের ছেলে রাজপুত্র ছিল না? বুদ্ধদেব বেদীতে বসতেন না?

পড়তে পড়তে স্যার, খাতার শেষে চলে এসেছেন। বিপ্লব বোধ হয় বেতের বাড়িটা ডজ্‌ করেই ফেললো।

বুদ্ধদেব প্রচুর দেশ ঘুরেছেন। সেই সময়ে যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো না থাকায় ওনাকে পায়ে হেঁটেই অধিকাংশ জায়গায় যেতে হত। বুদ্ধদেব রথে চেপে বেরিয়েছেন - এ অতি-বিরল ঘটনা।
তিনি যত নতুন দেশে গেছেন, ওনার ভক্ত সংখ্যা তত বেড়েছে। সাধারণ মানুষ বুদ্ধদেব'কে খুব ভালবাসত। শান্তির খোঁজে, শেষ বয়েসে বুদ্ধদেব বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন।

ডি কে এম থামলেন। আবার পড়লেন। শেষ বয়েসে বুদ্ধদেব বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন।
আবার পড়লেন। এবার থেমে থেমে।

শেষ বয়েসে ... বুদ্ধদেব ... বৌদ্ধধর্ম ... গ্রহণ করেন।

নিশ্চিত আউট হলে ব্যাটস্‌ম্যান অনেক সময় আম্পায়ারের দিকে না তাকিয়ে ক্রিজ ছেড়ে চলে যায়, বোলার আউটের আবেদন করে না। দেখেছেন নিশ্চয়ই। এবার সেই ফিলিং'টাকে মফস্বলের স্কুলে নয়ে আসুন। ডি কে এম কোনরকমে একহাতে বিপ্লবের ইতিহাস খাতা'টা টেবিলে নামিয়ে রেখে, অন্য হাতে বেত'টা সাঁই করে তুলে নিয়ে স্প্রিন্ট লাগালেন - বাবা বিপ্লব ... এই তথ্য তুমি কোথায় পেয়েছ? বুদ্ধদেবের বৌদ্ধধর্ম গ্রহণের ব্যাপারটা কোন শহরের কোন লাইব্রেরীর বইতে লেখা আছে?

অতঃপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও অক্ষশক্তির পরাজয়।

--

পরের বছর ডি কে এম জেনারেল নলেজের প্রশ্ন করেছিলেন। তাতে একটা এক নম্বরের প্রশ্ন ছিল, থার্ড প্রুডেনশিয়াল কাপের ফাইনাল কোথায় হয়েছিল?
প্রতিশোধ স্পৃহায় জর্জরিত বিপ্লবের উত্তর ছিল, ডি কে এমের টাকে।

বিপ্লব'রা দীর্ঘজীবী হোক।

10 comments:

  1. " Priyotoro pathika " is just so mind blowing 3:)

    ReplyDelete
  2. ফেসবুকে কমেন্ট করার ব্যবস্থা করতে গিয়ে একটা প্লাগ ইন ব্যবহার করেছিলাম। অনেকেই সেটায় কমেন্ট করেছেন, এবং টেস্ট না করে কোডে যা হওয়ার তাই হয়েছে। ওগুলো স্রেফ উড়ে গেছে। সেইজন্য সরি :(

    পরোজ যোগে ভুল ধরেছে :)
    ঠিক করে দিয়েছি।

    শৌনকদা বলেছে - number distribution টা ভুল। মৌখিকের দশ নাম্বার কোথায় গেল? ব্যাপারটা হল ক্লাস সেভেনে বার্ষিক পরীক্ষায় মৌখিক থাকত না। এবং আমাদের স্কুলে most probably এভাবেই নাম্বার ভাগ করা থাকত। অনেক দিনের ব্যাপার ঠিক মনে নেই। তবে হ্যাঁ, মৌখিক পরীক্ষায় বিপ্লব যা উত্তর দিত সেটা খুব'ই interesting হত নিশ্চইঃ) কিন্তু সেটা তো আমার জানা নেই।

    ReplyDelete
  3. বিপ্লবের বৈপ্লবিক উত্তর শুনে বড় ভাল লাগলো। :)
    জেনারেল নলেজের উত্তরের পরে বিপ্লবের হাল কি হয়েছিল, সেটা জানতে খুব ইচ্ছে করছে।

    ReplyDelete
    Replies
    1. তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ - শুধু কোনো রক্তপাত হয় নি।

      Delete
  4. আলেকজান্ডারের সঙ্গে পৃথ্বীরাজের যুদ্ধ মনে আছে? এটা তো কতকটা সেই ব্যাপার দেখছি। ভাল লিখেছো।

    ReplyDelete
    Replies
    1. হ্যাঁ, প্রায় তাই তথাগত। শুধু এই যুদ্ধগুলো ইতিহাসের পাতায় থাকে না, এই যা।

      Delete
  5. Joy...Anek din bade darun hanslam...:)

    ReplyDelete
    Replies
    1. ডাকনাম শুনে আন্দাজ করে নিচ্ছি - আমার ছোটবেলার বন্ধু সোমনাথ। যদিও পারার না স্কুলের সেটা এখনও ঠাহর করতে পারছি না :(
      যাগ্‌গে, ব্লগের মধ্যে দিয়ে দেখা হওয়াটা বেশ interesting ...

      Delete
    2. "পাড়ার" ...

      চুপকথায় স্বাগত ...

      Delete