Sunday, November 3, 2013

প্রিয় সচিন

প্রিয় সচিন,

এবার তোমার হাজার হাজার ইন্টারভিউ হবে। তোমার হাতে তো এখন অনেক সময়, সবাই বুম মাইক নিয়ে তোমার ঘাড়ের ওপর হামলে পড়বে। একটা বাইটের জন্য। সবাই তোমার গল্প শুনতে চাইবে। বারবার শোনা গল্পগুলো আবার ফিরে ফিরে আসবে। হয়তো নতুন কিছু গল্প শোনাও যাবে। প্রাক্তন, বর্তমান এমনকি ভবিষ্যৎ ক্রিকেটার’রা তোমাকে নিয়ে চ্যানেলে চ্যনেলে আলোচনা বন্যা বইয়ে দেবে।

এর মধ্যে, এই এত কিছুর মধ্যে আজকে কিন্তু আমি তোমায় অন্য গল্প শোনাব। ঠিক তোমার গল্প নয়। অন্য একজনের গল্প।


ইডেন গার্ডেন। ভোরের আবছা কুয়াশা। ফেব্রুয়ারী, ১৯৯৩ [১]। একটা দশ বছরের ছেলে তার বাবার হাত ধরে ইডেনের গেট দিয়ে ঢুকে পড়েছে। এরকম বিশাল আয়তনের বিল্ডিং সে আগে দেখে নি। তার ধারণা ছিল, স্কুলের বিল্ডিংটাই সব চেয়ে বড়ো। হাই স্কুলে যদিও খেলার মাঠ নেই, জুনিয়র বেসিক স্কুলের মাঠটা বেশ বড়ো। কিন্তু জুনিয়র হাই স্কুলের মাঠটার মত বড়ো মাঠ হয় নাকি? সেটার পাশে আবার দর্শকদের বসার জন্য দুটো গ্যালারি রযেছে। আশেপাশের কোনো স্কুলে এরকমটি নেই। কলকাতার স্কুলে সে একবার এসেছিল। বাবার সাথে। 
ধুস্‌ ধুস্‌। পুরো স্কুলটাই তার ওই মফস্বলের স্কুলের খেলার মাঠে এঁটে যাবে। সত্যি কথা বলতে, কলকাতায় এত ভিড়। বাসে, ট্রামে, মিষ্টির দোকানে। তার কলকাতা আসতে ভালো লাগে না।
শুধু কলেজ স্ট্রিট আলাদা, একদম আলাদা। 
কত কত বই। বাবা বড়োদের বই কেনে। দশ বছরের ছেলেটা খোঁজে বেতাল, ম্যানড্রেক, লোথার। বাবা বলেছে ওগুলো নাকি বাবার আমলের বই। পাতলা রঙিন কমিক্‌সের বই। লেখা আছে সত্তর পয়সা দাম।
- বাবা, বাবা – ওরা বইগুলো পাঁচ টাকা করে নিচ্ছে কেন? বেশী নিচ্ছে তো।
- উঁহু বাবু। ওটা সাতষট্টি সালের দাম, ছাব্বিশ বছরে দাম বেড়ে গেছে। বইগুলো পুরোনো, নতুন করে আর দাম ছাপায় নি।   

ছেলেটা আবার ইডেনে ফিরে এল। সিঁড়িগুলো কি উঁচু উঁচু। বাবার এক হাতে ছেলে, আর এক হাতে টিফিন। তার ভিতরে কলা, ডিম সেদ্ধ, পাড়ার দোকানের কেক। সেই কোন ভোরবেলা বেরোবার সময় মা বেঁধে দিয়েছে। মফস্বলের বাস ধরে ঝাড়া দেড় ঘন্টা জার্নি করে এসপ্ল্যানেড। কন্ডাক্টর চেল্লাচ্ছিল, শ্যালদা, স্প্ল্যানেড, শ্যালদা, স্প্ল্যানেড। বাসে আসবার সময় ছেলেকে বাবা বুঝিয়েছেন, কথাটা স্প্ল্যানেড নয়, এসপ্ল্যানেড। ইংরেজি শব্দ। বৃটিশ’রা যে দেশ’ই দখল করে, নদীর ধারে বা ফোর্টের পাশে একটা টানা ঘাসে ঢাকা হাঁটার বা ঘোড়ায় চড়ার জায়গা তৈরী করে। তারে কয় এসপ্ল্যানেড।
সেই এসপ্ল্যানেড থেকে বিশাল শহীদ মিনারের ধার ধরে আকাশবাণীর সামনে দিয়ে তারপরেও অ-নে-ক-টা হেঁটে তবে কিনা এগারো নম্বরের গেট।
অনেকটা হেঁটে হেঁটে তারা যখন দোতলায় পৌঁছল, তখনই ইঁট-কাঠ-পলেস্তারার ফাঁক দিয়ে সবুজোদয় ঘটল। দ্বিতীয় হুগলী ব্রিজ থেকে গঙ্গাবক্ষে সূর্যোদয় হয়, আর ইডেনে শীতের কুয়াশার জালে সবুজোদয় হয়।

সেই সবুজের মধ্যে সাদা জামা পরা গোটা তিরিশেক লোক দৌড় ঝাঁপ করছে। কি বড়ো স্টেডিয়াম, পিঁপড়ের মত সারি দিযে লোক ঢুকছে। স্টেডিয়ামের অন্য প্রান্তের মানুষজনকে পিঁপড়ের মতই লাগছে। মাথায় ইলাস্টিক দেওয়া তেরঙ্গা কাগজের টুপি। চাঁদি রক্ষা পাবে না, শুধু কপালে একটুখানি ছায়া।
সাদা টুপি পরা বযস্ক একটা লোক, দুজন প্লেয়ারকে সাথে নিয়ে মাঠের মধ্যিখানে চলে গেল। হ্যান্ডশেক করল। পাশের লম্বা জুলপি'ওলা কাকুটা রেডিও চালিয়েছে।
নমস্কার, আকাশবাণী ক বিভাগ। ঘড়িতে সকাল আটটা বত্রিশ। ক্রিকেটের নন্দনকানন ইডেন উদ্যান থেকে আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি অজয় বসু। আমার সাথে শ্রী পুষ্পেন সরকার। সুপ্রভাত।

পুষ্পেনঃ আম্পায়ার রিপোর্টারের সাথে পিচ থেকে হেঁটে হেঁটে ক্লাবহাউসের দিকে ফিরে আসছেন ভারতীয় অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিন এবং ব্রিটিশ অধিনায়ক গ্রাহাম গুচ। না, কোনো রিপোর্টার ভুল করে টস করে যান নি, আজকের ম্যাচে আম্পায়ারের নাম'ই রিপোর্টার। আজহারের মুখের চওড়া হাসিই বলে দিচ্ছে টসভাগ্য আজ ভারতের পক্ষে। কিন্তু টসে জিতে আজহার ব্যাটিং নিয়ে কি ঠিক করলেন? গঙ্গা থেকে ধেয়ে আসা উত্তুরে হাওয়ায় ম্যালকম আর জার্ভিসের সুইং কি ভারতীয় ব্যাটস্‌ম্যানেরা সামলাতে পারবেন? আপনার কি মনে হয় অজয়দা?

অজয়ঃ দ্যাখো পুষ্পেন, ইডেন বরাবরই আজহারউদ্দিনের পয়া মাঠ। এ মাঠে প্রতিটি টেস্টে ওঁর সেঞ্চুরি আছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, ইডেন উদ্যান আজকেও তাঁকে খালি হাতে ফেরাবে না।

হো হো আওয়াজে রেডিও চাপা পড়ে গেল। মনোজ প্রভাকর ও নভজ্যোত সিং সিধু ব্যাট বগলে নিয়ে মাঠে নামছেন। স্টেডিয়াম অর্ধেকের বেশী ভরে গেছে। খেলা শুরু হল। 

দেখা গেল অজয় বসু’ই ঠিক। গঙ্গার হাওয়া খুব একটা সামলানো যাচ্ছে না। লাঞ্চের পর পরই ৯৩ ফর ৩। ক্রিজে আজহার, আর একটা কুড়ি বছরের একটা ছেলে। খাটো চেহারার, দেখে মনে হয় কুড়ি নয়, আরো ছোটো। গ্রাহাম গুচকে দেখে মনে হচ্ছে ছেলেটির দাদু, অত্যন্ত বিরক্ত মুখে বড়দের খেলায় খুদে ছেলেটির অনধিকার প্রবেশ সহ্য করছেন।
http://tinyurl.com/kzwh9jh
কিছুক্ষণের মধ্যেই আজহার বুঝিয়ে দিলেন, খেলাটা টেস্ট ক্রিকেট হলেও মাঠ’টা ইডেন গার্ডেনস। যতই গঙ্গার হাওয়া দিক আর দশাসই দৈত্যের মত ফাস্ট বোলার হুঙ্কার দিক, তিনি আজহার, আর মাঠ’টা ইডেন গার্ডেনস। সুতরাং হিসেবটা আলাদা। বাকি ব্যাটসম্যানরা ঘুমপাড়ানি ব্যাট করছে করুক, কিন্তু আজহারের ‘রান-এ-বল’।
পরে ব্যাট করতে নেমে আজহারের হাফ সেঞ্চুরি হয়ে গেছে, বাচ্চা ছেলেটির সবে সাতাশ। ইডেনে মেক্সিকান ওয়েভ শুরু হয়েছে। ঠিক দীঘাতে যেমন সমুদ্রের ঢেউগুলো। দূর থেকে ভেসে ভেসে আসে। লক্ষ্য রাখতে হয়। ঢেউ কাছে এলেই সময় বুঝে লাফিয়ে পড়তে হয়। একই রকম টেকনিক। পার্থক্য একটাই – ইডেনে শুধু মানুষের ঢেউ। লাফিয়ে ঝাঁপিয়ে মেক্সিকান ওয়েভে হো হো করতে করতে দশ বছরের ছেলেটা দেখে পাশের জুলপি কাকুটা রেডিও ফুল ভলিউমে চালিয়ে দিয়েছে।

- সপাটে অন ড্রাইভ। মহম্মদ আজহারউদ্দিনের ওপর ইডেন দেবতা আজ বড়োই সদয়। গুড লেংথের একটি আপাত নিরীহ বলকে স্রেফ কব্জির মোচড়ে ছিটকে দিলেন। ইডেনের নরম সবুজ গালিচার বুক চিরে লাল বল টপকে গিয়েছে সীমানা। অজয়দা, এই অসামান্য স্ট্রোকটি সম্বন্ধে আপনার মতামত কি?
- দ্যাখো পুষ্পেন ......

আজহারের ব্যাট যতই কথা বলুক না কেন, অন্য প্রান্তে কুড়ি বছরের ছেলেটা কিন্তু এক মন দিয়ে মাথা নিচু করে ব্যাট করে চলেছে। তার ব্যাটে ঝুড়ি ঝুড়ি রান হচ্ছে না বটে, কিন্তু আছে দৃঢ় প্রত্যয়। গুচের লাল কপালে কোচকানো ভ্রু দেখা যাচ্ছে।
তারপর?
তারপর বল পড়ে, ব্যাট নড়ে। 

দশ বছরের ছেলেটা আর জুলপি কাকুর মধ্যে বেশ বন্ধুত্ব হয়ে গেছে। কাকু মাঝে মাঝে রেডিওটা ওর হাতে দিয়ে সিগারেট খেতে যাচ্ছে। সূর্য আস্তে আস্তে পশ্চিম দিকে ঢলে পড়ছে। হঠাৎ ফের মেক্সিকান ওয়েভ। ক্রিজে বাচ্চা ছেলেটির হাফসেঞ্চুরি হয়েছে। দর্শক'দের ব্যাট তুলে অভিবাদন গ্রহণ করল সে। আজহার এগিয়ে এসে হাত মেলালেন। গ্লাভ্‌সে গ্লাভ্‌সে ঠোকাঠুকি। 

রেডিও তে পুষ্পেন ঝাঁপিয়ে পড়েছেন, ইডেন উদ্যানে এই পড়ন্ত আলোয় আমরা কি সাক্ষী হলাম এক ক্ষণজন্মা প্রতিভার? জাহাজের ক্যাপ্টেনের সাথে হাল ধরে কে এই কিশোর নাবিক ......

তারপর?

ইডেনের দর্শক নিজের আসনে গুছিয়ে বসতে না বসতেই ম্যালকমের বল তোমার ব্যাটের কোনা ছুঁয়ে স্লিপে হিকের তালুবন্দি। সকাল থেকে এই নিয়ে গ্রেম হিকের তিন নম্বর ক্যাচ। তুমি হেলমেট খুলে ক্রিজ থেকে ক্লাবহাউসের দিকে এগিয়ে আসছো। 
ছোটো ছোটো পায়ে। ক্লান্ত, অবসন্ন। একশো আটান্ন মিনিট ব্যাট করে, একশো আঠারো'টা বল ফেস করে পঞ্চাশ রান। টি শার্টের হাতায় মুখ মুছলে। 
যে দশ বছরের ছেলেটা তোমার লড়াই’টার সাথে একশো আটান্ন মিনিট ধরে নিজেকে রিলেট করে ফেলেছিল, তার তো চোখ ফেটে জল চলে আসার জোগাড়। সারা ইডেন দাঁড়িয়ে হাততালি দিচ্ছে।

হঠাৎ হুঁশ ফিরল, বাবার গম্ভীর গলায়।
- চল্‌ বেরিয়ে পড়ি।
ছেলের চোখে প্রশ্ন দেখে বাবার উত্তর, এখন ইডেনে কত লোক জানিস? সত্তর হাজার। ঘন্টাখানেক পরে যখন খেলা ভাঙবে, এই সত্তর হাজার লোকের জন্য সত্তর’টা বাসও থাকবে না। চ, এই বেলা বেরিয়ে পড়ি।
বাবার হাত ধরে আবার ওই সিঁড়িগুলো ভাঙ্গা, আলো আঁধারি। আকাশবাণী, শহীদ মিনার, বাস গুমটি। বাড়ি ফেরা। 

কুড়ি বছর হুশ করে চলে গিয়েছে, সেই দশ বছরের ছেলেটা আজকে হুমদো তিরিশ। অফিসের কাজে, নিতান্তই পেটের দায়ে তাকে সায়েবদের দেশে যেতে হবে। রোমপোপ-পিৎজা-পাস্তার দেশ। কত কিছু দেখার আছে। এমন নয় যে সে এগুলো আগে দেখে নি, কিন্তু ইতিহাস থমকে দাঁড়িয়ে থাকে যেখানে সেখানে তো বারবার যেতেই হয়, তাই না? 

প্লাস, পেটের দায়।

কিন্তু তখনই তো তুমি ইডেন গার্ডেন্সে শেষ বারের মত খেলতে আসছো। ইতিহাসের দোহাই দিয়ে চব্বিশ বছরের প্রেমকে অস্বীকার করবে সে? এত বড়ো হুমদো সে এখন’ও হয় নি।
ভালো থেকো,
দশ বছরের ছেলেটা

পুনশ্চঃ ইডেন গার্ডেনে তুমি শেষ বারের মত ব্যাট হাতে নামবে, আর আমি সেটা চোখে দেখতে পাব না, সে তো হতে পারে না, তাই না? প্রথম দু'দিন যাবো। ইডেন থেকে এয়ারপোর্ট যেতে যেতে মফস্বলের, আমার সেই বাংলা ইস্কুলের মাঠ’টার কথা মনে পড়বে, যে মাঠে হয়তো আর কোনো দিন ফিরে যাওয়া হবে না। কেন বলো তো?

ভয়ে। জাস্ট ভয়ে।

যদি মাঠ’টা আর অতোটা বড় মনে না হয়? ক্লাস সেভেনের চার ফুট দশ ইঞ্চির উচ্চতা থেকে যে মাঠ’কে মনে হত দিগন্ত ছোঁওয়া, এখন যদি তাকে নিতান্তই ছোটো মনে হয়, তাহলে?
ঠিক যেমন ইডেনে আমি তোমার সেঞ্চুরি দেখতে যাচ্ছি না। আই ডোন্ট কেয়ার। সিরিয়াসলি। না, আমি ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বৈরথ দেখতেও যাচ্ছি না।

আমি যাচ্ছি স্রেফ আমার ছোটোবেলা’টাকে খুঁজতে, শেষবারের মত চাক্ষুষ করতে। সেই কুড়ি বছরের কোঁকড়া চুলের ছেলেটাকে শেষবারের মত স্টান্স নিতে দেখতে। 

ব্যস্‌।

--


(১) http://www.espncricinfo.com/ci/engine/match/63598.html

** ওপরের লেখা গৌতম ভট্‌চাজ'কে ডেডিকেট করা। আমাদের ছোটবেলায় স্পোর্টসজার্নালিসমের সুপার-স্টার। এবং তাঁর সাথে খেলা পত্রিকার সম্পাদক - অশোক দাশগুপ্তকেও। "তারাদের শেষ চিঠি" বইয়ের রিভিউ করতে গিয়ে অশোক দাশগুপ্ত লিখেছেনঃ
--
পরিচালক সৃজিৎ মুখোপাধ্যায়, শুনলাম, আলোচ্য বইয়ের লেখককে বলেছেন, ক্রিকেটের লেখা আর নয়। মানে সহজ, কথা আন্তরিক, এত ভাল লিখতে পারো এত বিষয়ে, ক্রিকেটে পড়ে থাকবে কেন? সৃজিৎ ঠিক বলেছেন। এবং বলেননি। শোনো গৌতম, ক্রিকেট তোমাকে দিয়েছে (আমাদের সবাইকেই দিয়েছে) অশেষ ঐশ্বর্য, পেয়েছ যখন, ফেলে যাবে কোন দুঃখে? তোমার ভুবনটা তারাময়। নক্ষত্র তোমাকে টানে এবং তুমি নক্ষত্রদের এনে দাও চোখের সামনে। এবার, অন্তত একবার, গ্যালারিতে এসো। কোনও টেস্টম্যাচের অবিস্মরণীয় দিনে, ধরো অস্ট্রেলিয়ায়, ধরো খেলাটা হয়েছিল স্টিভ ওয়ার বিদায়–দিনে, অথবা টেস্ট ম্যাচের টানটান শেষ দিন, প্রেস বক্সের বদলে দর্শকদের সঙ্গে গ্যালারিতে বোসো। এবং সেখানে, নক্ষত্রপুঞ্জের বিষাদ ও উল্লাস মাখা একটা আধভেজা রুমাল, তুলে এনে আমাদের হাতে তুলে দাও। আমরা ছুঁয়ে দেখি।
--
নারায়ণ স্যান্যাল যেভাবে অসম্পূর্ণ ব্যোমকেশ সম্পূর্ণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, আমারও মনে হল টেস্ট ম্যাচের কোন অবিস্মরণীয় দিন তুলে ধরি, গৌতমদা করার আগেই। দুঃসাহস তোঁ মানুষের'ই হয়, তাই না? 

বিশ্বাস রাখি, গভীরভাবে বিশ্বাস রাখি, আজ থেকে অনেক বছর বাদে গৌতমদা আমার কোন লেখায় এরকম মুখবন্ধ লিখে দেবেন।  
--
ফেসবুকের যুগে মুখবন্ধ/কৈফিয়তঃ

35 comments:

  1. uff!! kono katha habe nahh!! satti darun likhecho..salute!!!

    ReplyDelete
  2. apni darun lucky, ei muhurto tar sakkhi thakben.. math ferot obhigyota ta o share korben please.

    ReplyDelete
    Replies
    1. chesta korbo swagata .. vashay kulole ..

      Delete
    2. ইংরিজীতে সুবিধে করতে পারছিলাম না। স্বাগতা'কে চুপকথায স্বাগত :)

      Delete
  3. Replies
    1. bolchho ajoyda?

      mon diye porechhen dekhchhi .. swagato :)

      Delete
  4. Anirban tomake chini na ami personally.. kin2 lekehata kothai jeno tomake boddo apnar jon kore nilo.. Prothom Eden Test er sepia tone er flash back..r goto 24 bochhor er ekatmota..!!...

    ReplyDelete
    Replies
    1. অভিষেক, ওই সেপিয়া টোন'টা ভয়ঙ্কর প্রয়োজন। সক্কলের।

      স্বাগতম।

      Delete
  5. আর সে'দিনের সেই বাবা কি করবে?
    আহা,তারও তো একটা সচিন-আক্রান্ত অতীত আছে, যে অতীতে তখনও-দাড়ি-না-বেরোন-সচিন লাজুক হাসি হেসে 'জিলেট'এর বিজ্ঞাপন করত!

    ReplyDelete
  6. lekha ta aar ticket dutor chhobi amakey ekdom h-block e niye fello...

    ReplyDelete
    Replies
    1. তোমার সাথে ইডেনে অনেক গুলো টেস্ট দেখা হয়ে গেল।

      Delete
  7. মতামত দেওয়ার কিছু নেই, বাতুলতা হয়ে যাবে।তাই না বলেই বলে দিলাম।তোর্ খেলা দেখার পর এরকম আর একটা লেখার জন্য বসে রইলাম।

    ReplyDelete
  8. Replies
    1. থ্যাঙ্ক উ অনামিকা :)

      Delete
  9. ভীষণ ভালো লাগল

    ReplyDelete
    Replies
    1. অনেক ধন্যবাদ। আপনার ব্লগার প্রোফাইল দেখলাম, আমার মনে হয় আপনিই চুপ-কথার বয়োজ্যেষ্ঠ পাঠক। প্লাস জামশেদপুরের বাসিন্দা, আমার ছোটবেলার খুব মিষ্টি স্মৃতি জড়িয়ে আছে ওই শহরটার সাথে।

      ভালো থাকবেন, চুপকথায় স্বাগত।

      Delete
  10. চমৎকার লেখা। এটা কি গৌতম ভট্টাচার্য-কে ডেডিকেট করলেন?

    ReplyDelete
  11. চমৎকার লেখা। এটা কি গৌতম ভট্টাচার্য-কে ডেডিকেট করলেন?

    ReplyDelete
    Replies
    1. একদম তাই, শিমূল। চুপকথায় স্বাগত।

      Delete
    2. আরিব্বাস! আমি গৌতমের ঘোষিত মৌলবাদী ফ্যান!

      Delete
    3. আচ্ছা, আপনিই সেই অনির্বাণ দত্তচৌধুরী যিনি www.gautam4you.com -এর ক্রিয়েটর!

      Delete
    4. ক্রিয়েটর ঠিক নয়, শুরুর দিকে কিছু ছবি-লেখা একত্র করেছিলাম। আরো অনেকের মিলিত প্রয়াস।

      Delete
    5. ক্রিয়েটর ঠিক নয়, শুরুর দিকে কিছু ছবি-লেখা একত্র করেছিলাম। আরো অনেকের মিলিত প্রয়াস।

      Delete
    6. ওহ্। আমি আপনার আর রমনা পাল (?) এই দু-জনের নামই পড়েছিলাম। দাদাতন্ত্র-তে।

      Delete
    7. তখন আমি দেশের বাইরে থাকতাম, রমনা'ই মূল কান্ডটা করেছিলেন।

      দাদাতন্ত্র, তাই নাকি? একটা ছবি তুলে পারলে পাঠাবেন তো, আমি দেখি নি।

      Delete
    8. ওহ্। আমি আপনার আর রমনা পাল (?) এই দু-জনের নামই পড়েছিলাম। দাদাতন্ত্র-তে।

      Delete
  12. আমরা যারা নব্বই দশকটাকে জাপটে বড় হয়েছি, তাদের সেই মফস্বলী জিয়া-নষ্টাল এর হাত ধরে কিছুটা সময় কাটিয়ে দিলাম লেখাটার সাথে। পুরনো একটা ট্রাংক হটাৎ খুলে গেল যেন। ‘সচিন’ তো একটা যুগের নাম।

    ReplyDelete
    Replies
    1. অমৃতা, খুব ভালো লাগলো।

      Delete